• মঙ্গলবার , ২৮ জুলাই, ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক

"নেতানিয়াহুর যুদ্ধনীতি: ইরানকে ঘিরে ইসরায়েলের আবারও হামলার পরিকল্পনা?"

"নেতানিয়াহুর যুদ্ধনীতি: ইরানকে ঘিরে ইসরায়েলের আবারও হামলার পরিকল্পনা?"

গত মাসে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষকে ‘সফল’ দাবি করে এবার নতুন করে আরেকটি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল—এমনটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কৌশলগত পদক্ষেপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, তারা ইরানে আরও এক দফা ধ্বংসাত্মক হামলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। যদিও অস্ত্রবিরতি এখনো কার্যকর, তবে পরিস্থিতি যে আবারও যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, সে বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইরান ও পশ্চিমা বিশ্লেষকরা। কূটনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে মধ্যপ্রাচ্য নতুন এক অস্থিরতা ও সংঘাতের মুখোমুখি হতে পারে।

যমুনার উজানে বাঁধ নির্মাণ: চীনের দাবি— কারও ক্ষতি হবে না

যমুনার উজানে বাঁধ নির্মাণ: চীনের দাবি— কারও ক্ষতি হবে না

চীন দক্ষিণ তিব্বতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করেছে, যা নিয়ে ইতোমধ্যে ভারত ও বাংলাদেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই প্রকল্পটি ইয়ারলুং ঝাংবো নদীর উপর গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ভারত অংশে ব্রহ্মপুত্র এবং বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত। তবে এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়ে চীন দাবি করেছে, এটি তাদের ‘সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত’ এবং এই প্রকল্পের কারণে নদীর নিম্নপ্রবাহে অবস্থিত কোনো দেশ ক্ষতির মুখে পড়বে না। গত ২৩ জুলাই চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই প্রকল্প নিচু এলাকার কোনো দেশকে ক্ষতির মুখে ফেলবে না।” তিনি আরও জানান, প্রকল্পটি নির্মিত হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ এবং প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, পাশাপাশি নদীর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীনের কড়া বার্তা, ইরানকে পূর্ণ সমর্থন

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীনের কড়া বার্তা, ইরানকে পূর্ণ সমর্থন

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে ‘প্রকৃত যুদ্ধবিরতি’ কার্যকরে ইরানকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এক ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে এ সমর্থনের কথা জানান। তিনি বলেন, “ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় চীন সব সময় ইরানের পাশে আছে। যুদ্ধ নয়, শান্তিই হতে হবে আমাদের লক্ষ্য। এজন্য প্রকৃত যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারে।”