• বুধবার , ২৬ আগস্ট, ২০২৬ | ১১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু

পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৪ ২৬ আগস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে এয়ার কন্ডিশনারের (এসি) কম্প্রেসর বিস্ফোরণে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধার ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করা হয়।

ইসলামাবাদের হাসপাতালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে এয়ার কন্ডিশনারের কম্প্রেসর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটে আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

হাসপাতালে থাকা নবজাতকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ভয়াবহ এই ঘটনায় ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়। একজন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।

এসির কম্প্রেসর বিস্ফোরণ থেকে দুর্ঘটনা

হাসপাতালের এয়ার কন্ডিশনারের কম্প্রেসর বিস্ফোরণ থেকেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এমন দুর্ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

বিস্ফোরণের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট ইউনিটে থাকা রোগী ও অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

১৫ নবজাতকের মৃত্যু

এই ঘটনায় সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো নবজাতকদের প্রাণহানি। দুর্ঘটনার সময় হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটে থাকা শিশুদের মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একটি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্বজনদের মধ্যে শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

হাসপাতালে আগুন বা বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা মোকাবিলায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নবজাতক ইউনিটে থাকা শিশুরা নিজেরা কোনোভাবেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে যেতে পারে না।

এ ধরনের দুর্ঘটনা হাসপাতালের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, এসি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব সামনে নিয়ে আসে।

তদন্তের অপেক্ষা

বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলে ঘটনার কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
 

বিজ্ঞাপন