রবিবার , ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১৯ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত: ০৫:৫৪ ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন রণতরী মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে ইরান। কৌশলগত ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে এক হাজার অত্যাধুনিক ড্রোন যুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানের সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আমির হাতামির বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মেজর জেনারেল আমির হাতামির নির্দেশনায় নতুন এই ড্রোনগুলো সেনাবাহিনীর চারটি শাখার অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহৃত হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের যৌথ উদ্যোগে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ড্রোনগুলো তৈরি করা হয়েছে।
নতুন ড্রোনগুলো আক্রমণাত্মক অভিযান, নজরদারি (রিকনিস্যান্স) এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ—এই তিনটি প্রধান সামরিক কৌশলকে সামনে রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। এগুলো স্থল, সমুদ্র ও আকাশে অবস্থানরত স্থির ও চলমান লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেন, ভবিষ্যতের হুমকি বিবেচনায় কৌশলগত সুবিধা বজায় রাখা এবং সামরিক শক্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবেই এই ড্রোনগুলো মজুত করা হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোন বহর যুক্ত হওয়ায় ইরানের আকাশসীমা প্রতিরক্ষা ও দূরপাল্লার হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
