বুধবার , ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৫ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত: ০২:১১ ২০ জানুয়ারী ২০২৬
অনুমোদনহীন ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা পরিচালনার অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত ঢাকা–১৭ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এস এম খালিদুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ডা. খালিদুজ্জামান তার প্রচারপত্রে ‘এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলোজি অ্যান্ড প্রি-ইমপ্ল্যানটেশন জেনেটিক্স (ভারত)’ ডিগ্রি ব্যবহার করেছেন, যা বিএমডিসি স্বীকৃত নয়।
বিএমডিসি জানায়, অনুমোদনহীন ডিগ্রি ব্যবহার রোগীর সঙ্গে প্রতারণার শামিল এবং এটি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের পরিপন্থি। এ অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। অভিযোগকারী আবদুল কাদের নামের একজন ব্যক্তি প্রচারপত্রের কপি সংযুক্ত করে কাউন্সিলকে বিষয়টি জানান।
এ বিষয়ে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন বলেন, অভিযোগ যাচাই করে দেখা গেছে, এমবিবিএস ডিগ্রির বাইরে ডা. খালিদুজ্জামানের অতিরিক্ত কোনো ডিগ্রি বিএমডিসিতে নিবন্ধিত নেই। সে কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বক্তব্য পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে ডা. এস এম খালিদুজ্জামান বলেন, ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলোজি বিষয়টি বাংলাদেশে এখনো চালু হয়নি এবং এটি বিদেশের অল্প কয়েকটি দেশে রয়েছে। তিনি দাবি করেন, তার কোনো অফিসিয়াল কাগজপত্রে ওই ডিগ্রি ব্যবহার করা হয়নি; একটি প্রমোশনাল ভিডিওতে উল্লেখ ছিল, যা বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের ভুল।
