বুধবার , ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৫ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত: ০৯:৪৩ ৩ জানুয়ারী ২০২৬
জানুয়ারি মাসে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাসে দেশে মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার, যেখানে তাপমাত্রা আট থেকে দশ ডিগ্রি অথবা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে অবস্থান করবে। এছাড়া এক থেকে দুটি শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি থেকে তীব্র হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ছয় থেকে আট ডিগ্রি কিংবা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তিনি আরও জানান, জানুয়ারি মাসে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদ-নদী অববাহিকা এবং নিম্নাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্য এলাকাগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনাও রয়েছে। কোনো কোনো দিন এই কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও বেশি হতে পারে। এতে বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় বা গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। একই সময়ে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বজায় থাকবে। জানুয়ারিতে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন থাকবে এক দশমিক পাঁচ শূন্য থেকে তিন দশমিক পাঁচ শূন্য মিলিমিটারের মধ্যে এবং গড় সূর্যকিরণকাল থাকবে তিন দশমিক পাঁচ শূন্য থেকে পাঁচ দশমিক পাঁচ শূন্য ঘণ্টা।
শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় রেখে আবহাওয়া অধিদপ্তর সাধারণ মানুষকে আগেভাগেই শীত মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।