কারফিউ দিয়ে গণহত্যার অভিযোগ: সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিচার শুরু


প্রকাশিত: ০১:৩৬ ১২ জানুয়ারী ২০২৬
জুলাই–আগস্টে কারফিউ জারি করে গণহত্যায় উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মধ্য দিয়ে এই দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলো।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন মামলাটি ট্রাইব্যুনালের ১১ নম্বর কার্যতালিকায় উপস্থাপিত হয়। শুনানির শুরুতেই সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের অব্যাহতি চেয়ে তাদের আইনজীবীদের করা আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পাঠ শুরু করেন, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার প্রক্রিয়া সূচিত হয়।
সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি তাদের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী শুনানিতে অংশ নিয়ে আসামিদের নির্দোষ দাবি করেন এবং অভিযোগ গঠন না করার আবেদন জানান। একই সঙ্গে তিনি তাদের অব্যাহতির আবেদনও করেন।
অন্যদিকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গঠনের জোরালো দাবি জানানো হয়। উভয়পক্ষের বিস্তারিত শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আদেশ ঘোষণার জন্য ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত দিনে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ মামলাটি আমলে নেন। একই দিন সকালে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে। কারফিউ জারি করে সংঘটিত সহিংসতা ও গণহত্যার মতো গুরুতর অভিযোগে এই মামলাটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
এই আদেশের মাধ্যমে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - অপরাধ ও শৃঙ্খলা
- SEO Expert নিচ্ছে Nebula IT Bangladesh
- মন্দিরে পূজা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কে সারা আলি খান
- Marketing Officer নিয়োগ দিচ্ছে Monir Neuro Spine Surgical Mart
- আকর্ষণীয় বেতনে HAJ Corporation-এ নিয়োগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- অবশেষে নিবন্ধন পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি
- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন, বাদ মালিঙ্গাসহ ৩ জন
- সৌদি আরবের হয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে পাকিস্তান? যা জানা যাচ্ছে
- বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার খবর নাকচ করল জাপান
- ১ নভেম্বর ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে সিজেপির সমর্থন, দাবি সিইসির পদত্যাগ
- আবারও ন্যায্য মজুরি আদায়ের দাবিতে সড়ক অবরোধ গার্মেন্টস শ্রমিকদের
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু



