শুক্রবার , ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১০ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত: ০৫:১৬ ৮ অক্টোবর ২০২৫
গেল সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। তবে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ ঢাকার কয়েকটি ক্লাবের সংগঠক নির্বাচনে অংশ নেননি। নির্বাচনের পরই সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তামিম।
তামিম বলেন, "আমি মনে করি না এটা কোনো নির্বাচন ছিল। আমি ই-ভোটিংয়ের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু মিডিয়ায় দেখলাম আমার ভোট দেওয়ার তথ্য এসেছে। পরে যাচাই করে দেখা গেল, আমার কোনো ই-ভোট কাস্ট করা হয়নি।" তিনি এ বিষয়ে ইসিকে ইমেইল করেছিলেন এবং তারা নিশ্চিত করেছে যে তার ভোট রেকর্ডে নেই।
নির্বাচনের দিন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তামিম আরও স্পষ্ট করেন, "৪২টি ভোট কাস্টিং হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪টি ই-ভোট। কিন্তু ই-ভোট করা ব্যক্তিরা সবাই নির্বাচনের দিন কেন্দ্রেই উপস্থিত ছিলেন। যারা নির্বাচিত হয়েছেন, সবাই ই-ভোট দিয়েছেন। তাহলে ই-ভোটিংয়ের প্রয়োজন কী? এটা আমাদের ফেয়ার নির্বাচনের মূলতত্ত্বের সঙ্গে খাপ খায় না।"
তিনি আরও বলেন, "কিছু অলিখিত নিয়ম থাকে, যা ভাঙতে চাইছি না। আমরা সমঝোতায় একমত ছিলাম না, তাই বের হয়ে এসেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়গুলো এখানেই থাকুক। প্রথম দিন থেকেই আমরা ফেয়ার ইলেকশন চেয়েছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটা হয়নি।"
তামিমের এই মন্তব্য নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং বিসিবি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ দিয়েছে।
