একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আবার রক্ষা করা হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান


প্রকাশিত: ০২:০৪ ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
একাত্তরে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আবারও রক্ষা করা হয়েছে—এমন মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি আলাদা বিভাগ খোলা হবে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান বলেন, বিএনপি অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল, যার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদ, আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারগুলোর দেখভাল করা হতো। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বিএনপি এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ক্ষমতায় এলে ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধা, শহীদ ও আহতদের পরিবারগুলোর জন্য একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হবে। এই বিভাগের মাধ্যমে তাঁদের জীবনযাত্রার নানা সমস্যা, সুযোগ–সুবিধা ও কল্যাণমূলক বিষয়গুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখভাল করা হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে যাঁরা পেছনে রয়ে গেছেন—স্ত্রী, সন্তান, বাবা–মা ও স্বজনদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারাও প্রকৃত অর্থেই মুক্তিযোদ্ধা, কারণ তাঁরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করেছেন। সে কারণেই তাঁদের মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা হবে এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন উৎসর্গ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর ২০২৪ সালে যারা রাজপথে নেমে লড়াই করেছেন, তাঁরা সেই অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম করেছেন। স্বাধীনতা অর্জন হয়েছিল একাত্তরে, আর সেই স্বাধীনতাকেই আবার রক্ষা করা হয়েছে চব্বিশে। এই ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে সম্মান জানাতেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মধ্যেই নতুন একটি বিভাগ গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমানও সভায় অংশ নেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের অভিজ্ঞতা, কষ্ট ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। সভাটি আবেগঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত সবাই এই উদ্যোগকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - রাজনীতি
- হাজারবার প্রার্থনা করেছি যেন পুরুষদেরও পিরিয়ড হয়: শ্রুতি হাসান
- ‘কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন করার মূল্য সরকারকে দিতে হবে’: শফিকুর রহমান
- পাঁচ ভেন্যুতে হবে এনসিএল ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ
- ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: গালিবাফ
- অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে ৪ জন গ্রেপ্তার, অপরাধ স্বীকারের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ফুলবাড়ীতে ২৮ আঙুল নিয়ে কন্যাশিশুর জন্ম
- মোদির জন্মদিনে মুম্বাইয়ের ২০ স্কুল সংস্কারের উদ্যোগ আলিয়া-রণবীরের
- লং মার্চকে অযৌক্তিক বলেও সহযোগিতার আশ্বাস রাশেদ খানের
- সৌদি রাজধানী রিয়াদে বিস্ফোরণ, জারি হয়েছিল বিমান হামলার সতর্কতা
- বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান সুলিভানে নজর রিয়াল-বার্সার
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- ব্রাজিলের সঙ্গে খেললেই বদলাবে না বাংলাদেশের ফুটবল, বললেন আমিনুল
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস
- শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক
- বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ব্যাংকক নয়, যৌন পর্যটনের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠছে টোকিও




