“বিএনপি কর্মীরা আমাকে গায়ে ধাক্কা দিয়েছে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক”: রুমিন ফারহানা

“বিএনপি কর্মীরা আমাকে গায়ে ধাক্কা দিয়েছে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক”: রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক, মোরনিউজবিডি
অনলাইন ডেস্ক, মোরনিউজবিডি

প্রকাশিত: ১১:৩৩ ২৪ আগস্ট ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খসড়া সীমানা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ইসির শুনানিতে হাতাহাতি ও হট্টগোল ঘটেছে। রবিবার দুপুরে প্রথম দিনের মতো শুরু হওয়া শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের পক্ষে-বিপক্ষে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন গঠিত হয়েছিল সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার উপর, এবার ২০২৫ সালে সেটিতে বিজয়নগর উপজেলার বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর ইউনিয়নও যুক্ত করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের ক্ষেত্রে জেলা সদর এবং বিজয়নগর উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিল, এবার সেখানে আরও সাতটি ইউনিয়ন (ইছাপুর, চম্পানগর, পত্তন, দক্ষিণ সিংগারবিল, বিষ্ণপুর, চর ইসলামপুর ও পাহাড়পুর) যুক্ত হয়েছে।

শুনানিতে অংশ নেওয়া বিএনপির রুমিন ফারহানা খসড়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অন্য নেতারা খসড়ার বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং দাবি করেন, বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যুক্ত না করে পুরো উপজেলাকে অখণ্ড রাখা হোক।

হাতাহাতির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, “একজন আইনজীবী হিসেবে নিজেই আমার কেস উপস্থাপন করেছি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী ও তার সমর্থকরা আমাকে গায়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জাজনক। এ ধরনের ঘটনা নির্বাচন কমিশনের গম্ভীরতা ও সম্মানের সঙ্গে যায় না। ১৫ বছরে যা হয়নি, তা আজ হয়েছে। নির্বাচনের আগে দলে এমন অবস্থা হলে আসল নির্বাচনে কী হবে তা অনুমেয়।”

শুনানির বাইরে ও নির্বাচন ভবনের সামনেও হট্টগোল হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হট্টগোলকারী একটি দলকে গেটের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। নিরাপত্তার জন্য জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

শুনানি চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত, যেখানে খসড়া সীমানা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও দাবির ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন