• শুক্রবার , ০১ মে, ২০২৬ | ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতের আহ্বানে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা ছেড়ে দেশে ফিরলেন ড. হাফিজ।

জামায়াতের আহ্বানে তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা ছেড়ে দেশে ফিরলেন ড. হাফিজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬:৪৩ ১০ অক্টোবর ২০২৫

তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করা এক মেধাবী শিক্ষাবিদ ড. হাফিজ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশে ফিরেছেন। গাজীপুর-৬ আসন থেকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ইতিমধ্যেই আলোচনায় এসেছে।

ড. হাফিজ দীর্ঘদিন ধরে তুরস্কে একাডেমিক ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তুরস্ক সরকারের বৃত্তিতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য দেশটিতে যান। পরবর্তীতে তুরস্কের তোকাত গাজীপাশা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করে আসছিলেন।

একাডেমিক জীবনের পাশাপাশি তিনি তুরস্কে বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে ‘টার্কি জামায়াতের সভাপতি’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. হাফিজের দেশে ফেরা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

‘এরদোয়ান: দ্যা চেঞ্জ মেকার’ শিরোনামের জনপ্রিয় বইটির লেখক হিসেবেও ড. হাফিজ পাঠক মহলে পরিচিত। তাঁর এই বইটি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের নেতৃত্বগুণ ও রূপান্তরমুখী রাজনীতির বিশ্লেষণ নিয়ে রচিত, যা বাংলাদেশেও পাঠকমহলে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।

জামায়াত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ড. হাফিজকে দেশে ফেরার আহ্বান জানানো হয় কয়েক মাস আগে, যার প্রেক্ষিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে দেশে ফেরেন। দলের নেতারা মনে করছেন, তাঁর মতো মেধাবী, আধুনিক ও আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব জামায়াতের রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা যোগ করবে।

এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতের এক নেতার পোস্টে বলা হয়েছে,
“অভিনন্দন হাফিজ ভাই। গাজীপুর–৬ আসনের হিসাবনিকাশ উল্টে দেবেন ইনশাআল্লাহ।”

এদিকে ছাত্রশিবিরের একাধিক সাবেক নেতাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছেন,
“ছাত্রশিবির গত কয়েক দশকে একঝাঁক মেধাবী নেতৃত্ব তৈরি করেছে, ধীরে ধীরে তার আউটপুট জাতি পাবে ইনশাআল্লাহ।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তুরস্কফেরত এই তরুণ প্রজন্মের একাডেমিশিয়ান রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় জামায়াতের ভাবমূর্তি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/