• রবিবার , ১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:১৪ ১২ জুলাই ২০২৬

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারেক রহমান ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রোববার, ১২ জুলাই প্রকাশিত এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি জমির উদ্দিন সরকারের পরিবার, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী জমির উদ্দিন সরকারকে বাংলাদেশের রাজনীতির একজন অভিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জমির উদ্দিন সরকার সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

জমির উদ্দিন সরকার ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। ২০০২ সালে তিনি কিছু সময়ের জন্য বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রী এবং ভূমি, পররাষ্ট্র, গণপূর্ত ও নগর উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ একাধিক দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী তার শোকবার্তায় এসব দায়িত্বে জমির উদ্দিন সরকারের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতার কথা তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা এবং জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় জমির উদ্দিন সরকারের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তিনি সারাজীবন নিজের রাজনৈতিক আদর্শে অটল ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শোকবার্তায় আরও বলা হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও জমির উদ্দিন সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে দলের আদর্শ ধারণ করেছেন। বিশেষ করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার ভূমিকা বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। তার সততা, কর্মনিষ্ঠা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দীর্ঘ কর্মময় জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

শোকবার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের এই কঠিন সময় মোকাবিলার শক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেন।

বিজ্ঞাপন