• বৃহস্পতিবার , ২১ মে, ২০২৬ | ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ফ্লোটিলা নৌযানে ড্রোন হামলা!

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ফ্লোটিলা নৌযানে ড্রোন হামলা!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০৮ ৪ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি অনুমতি দিয়েছিলেন গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের দুটি নৌযানে ড্রোন হামলা চালাতে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা, যাদের বরাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ খবরটি প্রকাশ করেছে। হামলার ঘটনাটি ঘটে গত মাসের শুরুতে, যখন নৌযানগুলো ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী যাত্রার পথে তিউনিসিয়ার এক বন্দরে নোঙর করা ছিল।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনী একটি সাবমেরিন থেকে ড্রোন উড়িয়ে তিউনিসিয়ার সিদি বো সাঈদ বন্দরের বাইরে নোঙর করা নৌযানগুলোতে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে। এতে মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়। তবে সৌভাগ্যক্রমে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

প্রকাশিত তথ্যে আরও জানা যায়, গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর আলাদাভাবে দুটি নৌযানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এর একটি ছিল পর্তুগিজ পতাকাবাহী এবং অন্যটি ব্রিটিশ পতাকাবাহী নৌযান। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ হামলা ছিল সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং সরাসরি নেতানিয়াহুর নির্দেশেই তা সম্পন্ন হয়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও সশস্ত্র সংঘাত সংক্রান্ত আইনে বেসামরিক ব্যক্তি বা স্থাপনার ওপর দাহ্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে হামলা চালানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অথচ এ হামলায় তা প্রকাশ্যেই লঙ্ঘিত হয়েছে। এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। একইভাবে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও এ বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

প্রসঙ্গত, গাজার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা বহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০টিরও বেশি নৌযান ছিল। এতে প্রায় ৫০০ মানবাধিকারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন। কিন্তু গত বুধবার গাজার জলসীমায় পৌঁছানোর আগেই ইসরায়েলি বাহিনী পুরো নৌবহরে অভিযান চালায়। সেদিনই কয়েকটি নৌযান জব্দ ও আরোহীদের আটক করা হয়। পরদিন আরও নৌযান আটক করা হয়। সর্বশেষ শুক্রবার ইসরায়েলি বাহিনী নৌযান **‘ম্যারিনেট’**ও জব্দ করে নেয়।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/