• শুক্রবার , ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১০ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেসির চুমুতে ইতিহাস গড়া বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায়: ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত

মেসির চুমুতে ইতিহাস গড়া বিশ্বকাপ ট্রফি ঢাকায়: ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:২৪ ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চে লিওনেল মেসির একটি মুহূর্ত আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে আছে। গোল্ডেন বল হাতে নিয়ে পোডিয়াম থেকে নামার সময় ডান পাশে রাখা বিশ্বকাপ ট্রফিটির দিকে এগিয়ে গিয়ে তিনি যে আবেগী চুমু এঁকে দিয়েছিলেন, সেটি পরিণত হয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় ছবিতে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হওয়া বিশ্বকাপ ট্রফিটিই এবার এসেছে বাংলাদেশে।

‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে আজ সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় বিশ্বকাপ ট্রফিটি। ট্রফিটি নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার গিলবার্তো সিলভা। তার উপস্থিতিতে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ সফর এই প্রথম নয়। এর আগেও ২০০২, ২০১৩ ও ২০২২ সালে ট্রফিটি বাংলাদেশে এসেছিল। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি সৌদি আরব থেকে শুরু হওয়া এই ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবেই ঢাকায় এসেছে এটি। প্রায় ১৫০ দিনব্যাপী এই সফরে ট্রফিটি বিশ্বের ৩০টি দেশের ৭৫টি ভেন্যুতে প্রদর্শিত হবে। এই দীর্ঘ যাত্রার শেষ গন্তব্য মেক্সিকো, যেখানে আগামী ১২ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ।

আগামী ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে যে ট্রফিটি চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে উঠবে, সেটিই আজ বাংলাদেশে আসা এই আসল বিশ্বকাপ ট্রফি। নিখাদ সোনা দিয়ে তৈরি এই ট্রফির ওজন ৬ দশমিক ১৭৫ কেজি। বিশ্বকাপ জয়ের মুহূর্তে খেলোয়াড়রা যে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন, সেটি উদযাপনের জন্য ব্যবহৃত হলেও স্থায়ীভাবে তারা রাখতে পারে না। পরবর্তীতে বিজয়ী দলকে সোনায় প্রলেপ দেওয়া একটি রেপ্লিকা ট্রফি প্রদান করা হয়।

২০২২ বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরে বাংলাদেশে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেলেও এবার প্রদর্শনীর পরিসর কিছুটা সীমিত রাখা হয়েছে। কোকা-কোলার ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ ক্যাম্পেইনের আওতায় নির্বাচিত বিজয়ীরাই কেবল ট্রফিটি কাছ থেকে দেখার এবং ছবি তোলার সুযোগ পাবেন। এ জন্য অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বৈধ টিকিট এবং কোকা-কোলার বোতলের ক্যাপ সঙ্গে রাখতে হবে।

আজ দুপুর ১টা থেকে ঢাকায় বিশ্বকাপ ট্রফির প্রদর্শনী শুরু হবে, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। এরপরই এই ঐতিহাসিক ট্রফি বাংলাদেশ ত্যাগ করে পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। অল্প সময়ের এই সফর হলেও মেসির চুমুতে ইতিহাস গড়া বিশ্বকাপ ট্রফির উপস্থিতি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনন্য স্মৃতি হয়ে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/