• শুক্রবার , ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১০ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্বিপক্ষীয় সিরিজেরও প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে আফগানিস্তানের হার

দ্বিপক্ষীয় সিরিজেরও প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে আফগানিস্তানের হার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৩ ৩ অক্টোবর ২০২৫

এশিয়া কাপের পর দ্বিপক্ষীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচেও বাংলাদেশের কাছে হারল এশিয়া কাপের পর শুরু হওয়া দ্বিপক্ষীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তান বাংলাদেশের কাছে হেরে গেল। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) শারজায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৪ উইকেটে পরাজিত হয় রশিদ খানের দল। আফগান অধিনায়ক স্বীকার করেছেন—দলের ব্যাটিং ও বোলিং উভয়ই ছিল হারের মূল কারণ।

১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই প্রগতি দেখায়। ওপেনিং জুটিতে লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ১০৯ রান। তখন মনে হচ্ছিল, জয় প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু হঠাৎ করেই ধস নামে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে। মাত্র ২৪ বলে ৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেই মুহূর্তে ম্যাচে ফিরে আসে আফগানিস্তান।

ঘুরে দাঁড়ানোর নায়ক ছিলেন অধিনায়ক রশিদ খান। মাত্র ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি এবং তৈরি করেন একটি অসাধারণ রেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে এটি তার পঞ্চমবারের মতো ইনিংসে ন্যূনতম ৪ উইকেট নেওয়া। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে আর কেউ এতবার এই কীর্তি গড়তে পারেননি। বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা দু’বার করে অধিনায়ক হয়ে ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। এছাড়া কানাডার চার্লস পেরচার্দের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছেন রশিদ।

তবে ব্যক্তিগত কৃতিত্ব সত্ত্বেও দলের হারে হতাশ ছিলেন রশিদ। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন—
“এখনো মনে হচ্ছে, আমরা আরও ভালোভাবে শেষ করতে পারতাম। টি–টোয়েন্টিতে ছন্দ হারানোর সুযোগ নেই। একবার ছন্দ হারালে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। প্রথম ১০ ওভারে আমরা সঠিক জায়গায় বল করতে পারিনি। আমরা যখন নিয়মিতভাবে স্টাম্পে বল করেছি, তখনই ম্যাচে ফিরতে পেরেছি।”

ব্যাটিং নিয়েও আফগান অধিনায়ক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন—
“আমরা খুব সহজেই উইকেট বিলিয়ে দিয়েছি। আশা করি, আমরা শিখতে থাকব এবং আরও উন্নতি করব। মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। ব্যাটসম্যানদের উচিত নিজেদের স্বাভাবিক খেলায় মনোযোগ দেওয়া। সময় নেওয়া যেতে পারে, তবে চাপের মুখে ভুল শট নেওয়া যাবে না।”

আফগানিস্তানের ইনিংসে বড় কোনো জুটি গড়ে উঠেনি। ২৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৪০ রানে ৪ উইকেট হারায় তারা। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এবং রহমানউল্লাহ গুরবাজ সর্বোচ্চ ৩৩ রানের জুটি গড়েন।

শেষমেশ সপ্তম উইকেটে নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেনের ১৮ বলে ৩৫ রানের পার্টনারশিপ বাংলাদেশকে ৮ বল হাতে রেখে জয়ের স্বস্তি এনে দেয়।

শারজায় সিরিজের দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টি আজই অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/