• বুধবার , ২০ মে, ২০২৬ | ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদরাসার সরকারি চাল বিতর্কে মুখ খুলল জামায়াত

মাদরাসার সরকারি চাল বিতর্কে মুখ খুলল জামায়াত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:১৩ ১৭ মে ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচর ও লক্ষ্মীপুরের রামগতি এলাকার কয়েকটি মাদরাসার সরকারি বরাদ্দকৃত চালকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

শনিবার (১৬ মে) এক লিখিত প্রতিবাদ ও বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ১নং চরজব্বর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মুজাহিদুল আহমেদ। তিনি অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতির পোড়াগাছা ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের কিছু মাদরাসার সরকারি চাল বরাদ্দ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং স্থানীয়ভাবে ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি ও পল্লী চিকিৎসক আব্দুস সামাদকে জড়িয়ে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচিত চালগুলো সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই সংগ্রহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ডিলার আলী আজগর, যিনি স্মার্ট বাজার ডেলি শপের স্বত্বাধিকারী, প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি ও কাগজপত্রের ভিত্তিতে বিভিন্ন মাদরাসা থেকে চাল ক্রয় করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগ্রাম দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদরাসা, আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া নূরানী মাদরাসা এবং ইখলাস নুরানী কওমী মাদরাসা।

জামায়াতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, চাল ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র, রশিদ এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আব্দুস সামাদকে বিতর্কে জড়ানোর চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, আলোচিত লেনদেনের সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

বিবৃতিতে এ ধরনের প্রচারণাকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে বলা হয়, ব্যক্তিগত দায় না থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাউকে টার্গেট করা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। একই সঙ্গে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে এবং বিভ্রান্তি বা গুজবের অবসান ঘটবে। পাশাপাশি তারা দাবি করেন, মিথ্যা তথ্য বা অপপ্রচারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন সত্যকে আড়াল করে রাখা সম্ভব নয়।

দ্রষ্টব্য: উপরের প্রতিবেদনটি আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে সম্পাদনা ও পুনর্লিখন করা হয়েছে, যাতে ভাষাগত সৌন্দর্য, সংবাদধর্মী উপস্থাপন এবং মৌলিকতা বজায় থাকে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/