• সোমবার , ১০ আগস্ট, ২০২৬ | ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফ মাহমুদের পর হাসনাত হারানো ফেসবুক আইডি

আসিফ মাহমুদের পর হাসনাত হারানো ফেসবুক আইডি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৪৬ ৬ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল অকার্যকর (ডিজেবল) করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে তিনি নিজেই এ তথ্য জানান। ব্যক্তিগত আইডি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক দিন ধরে ভক্ত ও সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভিডিও বার্তায় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তার “হাসনাত আব্দুল্লাহ” নামের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলটি বেশ কিছু দিন আগেই ডিজেবল করে দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়ার পর কিছু পোস্টের জেরে কপিরাইট ক্লেইম ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে তার আইডিটি অকার্যকর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশের কারণে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।

ব্যক্তিগত আইডি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখন থেকে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেই নিয়মিত সক্রিয় থাকবেন বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, আগে এই পেজটি মূলত অ্যাডমিনদের মাধ্যমে পরিচালিত হতো, তবে ব্যক্তিগত প্রোফাইল অকার্যকর হওয়ায় এখন নিজেই এখান থেকে সরাসরি বক্তব্য ও তথ্য তুলে ধরবেন।

সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তার বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি নিয়মিত শেয়ার করার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন। যোগাযোগ সচল রাখার জন্য এই পেজটিকেই আপাতত একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করবেন বলেও জানান তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহর দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভারতবিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই কপিরাইট অভিযোগ এনে ব্যক্তিগত প্রোফাইলটি ডিজেবল করা হয়েছে। এ ঘটনাকে তিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চাপ হিসেবেও দেখছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। প্রায় ৩০ লাখ ফলোয়ারের তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিয়েছে বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন। গত ২৬ ডিসেম্বর নিজের আরেকটি ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া পোস্ট ও ভিডিওতে সংঘবদ্ধভাবে রিপোর্ট করে তার পেজটি রিমুভ করা হয়েছে।

পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে লিংক শেয়ার করে পরিকল্পিতভাবে রিপোর্ট করা হয় এবং হাদি সংশ্লিষ্ট তিনটি ভিডিওতেই স্ট্রাইক দেওয়া হয়। ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ফেসবুক আইডি ও পেজ অকার্যকর হওয়ার এসব ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা ও কপিরাইট ব্যবস্থার অপব্যবহার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

বিজ্ঞাপন