দেশজুড়ে বিশেষ পুলিশি অভিযান: এক দিনে গ্রেফতার ১৬২৯, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার


প্রকাশিত: ০৯:৪৪ ১৮ আগস্ট ২০২৫
সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ শনিবার রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ১,৬২৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ১,০১২ জন এবং অন্যান্য অভিযোগে ৬১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন জানান, নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশেষ টার্গেটভিত্তিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এসব অভিযানে কেবল আসামি ধরাই নয়, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সামগ্রীও উদ্ধার করা হচ্ছে।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের তালিকাও দীর্ঘ। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি পিস্তল ৩টি, এয়ারগান ১টি, এলজি ৭টি, দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক ১টি, রিভলবার সদৃশ অস্ত্র ৩টি, লিডবল কার্তুজ ২১টি, গুলি ১৭ রাউন্ড, কার্তুজ ৩টি, খালি ম্যাগাজিন ৩টি, ৪৪ ক্যালিবারের ফায়ার্ড কার্তুজ সদৃশ ৭টি, লোহার ছোরা ১টি, হাসুয়া ৩টি, ড্যাগার ৬টি, নাইট্রোজেন কার্টিজ ৯টি এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম ২ বাক্স। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এসব অস্ত্র উদ্ধার হওয়া মানে শুধু অপরাধ দমনই নয়, সম্ভাব্য বড় ধরনের নাশকতা বা সহিংসতাও প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক অপরাধ প্রবণতা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। এ ছাড়া মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও এ ধরনের অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখে। পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। তাদের দাবি, গ্রেফতার হওয়া আসামিদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ মনে করছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান প্রয়োজনীয় হলেও গ্রেফতার হওয়া সবার বিরুদ্ধে যেন ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়। কারণ, অনেক সময় সাধারণ বা নির্দোষ মানুষও অভিযানে জড়িয়ে পড়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক দিনে গ্রেফতার ১,৬২৯ জন—এটি নিঃসন্দেহে বড় ধরনের সাফল্য। তবে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গ্রেফতার নয়, বরং অস্ত্র ও অপরাধের মূল উৎস শনাক্ত করা এবং বিচার নিশ্চিত করাই দীর্ঘমেয়াদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার পথ।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- ম্যাজিক চুলায় ভাত রাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
- সবজির দামে ‘সেঞ্চুরি’, কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা কেজি
- জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমাদেরও ভুলত্রুটি হতে পারে: বিরোধীদলীয় নেতা
- 'মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না': বলিউডের নীরবতা নিয়ে নাসিরুদ্দিন শাহ্র কটাক্ষ
- শচীন-আফ্রিদির বহু পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বৈভব সূর্যবংশীর নতুন ইতিহাস
- কেন্দ্রীয় সরকারের লিখিত আশ্বাসে ২৬ দিন পর অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক
- এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার সব তদন্ত শেষ করার আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- ভারতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে বিনোদন জগতের তারকারা
- ‘আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে’: ফয়জুল করিম
- ৪ দিন ১১ ঘণ্টা পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট
- ডা. শফিকুর রহমান: জীবন, চিকিৎসা পেশা ও রাজনৈতিক পথচলা
- জনগণের প্রতিনিধি শামীম কায়সার লিংকনের জীবন ও রাজনৈতিক পথচলা
- জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটে ইকুয়েডর, আনন্দে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
- হাসনাত আব্দুল্লাহ: ছাত্রজীবন, আন্দোলন ও রাজনৈতিক পথচলা
- বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সামনে পুরোনো রেকর্ড ভাঙার চ্যালেঞ্জ
- ১ জুলাই থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাংলা কিউআর পেমেন্ট
- ভূরাজনীতি নিয়ে বিভ্রান্তির খেলা: জনগণকে বিভ্রান্ত করার দায় কার?
- স্টেজে ঝলমলে থাকার গোপন রুটিন জানালেন শাকিরা
- চিকিৎসকদের মর্যাদা, স্বাস্থ্যখাতের সংকট এবং রাষ্ট্রের করণীয়
- চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টম অকশন শেডে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস




