জার্মানি উদ্যাপন করছে তার ঐতিহাসিক পুনর্মিলনের ৩৫তম বার্ষিকী


প্রকাশিত: ০৪:০০ ৩ অক্টোবর ২০২৫
আজ শুক্রবার জার্মানি উদ্যাপন করছে তার ঐতিহাসিক পুনর্মিলনের ৩৫তম বার্ষিকী। ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির একাত্মতা ঘোষণা হওয়ার পর দেশটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই বার্ষিকীকে ঘিরে বিশেষভাবে আলোচনার বিষয়—জার্মানি কী অর্জন করেছে এবং কী এখনও চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
জার্মান পার্লামেন্ট ভবনে জাতীয় পতাকা উড়ছে, তবে সাধারণ নাগরিকদের কাছে দিবসটির গুরুত্ব আগের মতো নেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধুমাত্র আবেগে উদ্যাপন যথেষ্ট নয়; বরং বাস্তবতার আলোকে দেশের অর্জন ও চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণ করা জরুরি।
ফ্রাঙ্কফুর্টের রন্ডসু পত্রিকা লিখেছে, “কখনো অতীতকে ভুলে যাবেন না, নইলে ভবিষ্যৎ পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হবে না।” পত্রিকাটি আরও উল্লেখ করেছে, রাজনৈতিক ঐক্য অর্জিত হলেও সামাজিক-রাজনৈতিক ঐক্য এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এর জন্য দরকার আরও উন্মুক্ত আলোচনা ও সচেতনতা তৈরি করা।
পত্রিকাটি প্রশ্ন তুলেছে—জার্মানরা কীভাবে সত্যিকারের ঐক্যবদ্ধ থাকতে চায়? বর্তমান কাঠামো কি যথেষ্ট শক্তিশালী, নাকি আরও বাস্তব ও সাহসী সংস্কারের প্রয়োজন?
বার্লিনের টাগেস স্পিগেল পত্রিকার এক জরিপে দেখা গেছে, পশ্চিম জার্মানির ৬০ শতাংশ ও পূর্ব জার্মানির ৫৮ শতাংশ মানুষ তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তবে মজুরি, সম্পদ ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে পূর্ব-পশ্চিম বৈষম্য এখনও বিদ্যমান। অর্থনৈতিকভাবে উৎপাদনশীলতা প্রায় সমান হলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়ে গেছে।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সরকারের ক্ষেত্রে এখনও বৈষম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মন্ত্রিসভার ১৭ জন মন্ত্রীর মধ্যে কেবল দুজনই পূর্ব জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেছেন। পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো উভয় অঞ্চলের মানুষের জন্য সমানভাবে থাকা উচিত, যেখানে পশ্চিমাঞ্চলের মাত্র ৩২ শতাংশ এই মত পোষণ করেন। সরকারব্যবস্থার ক্ষেত্রে পশ্চিমের ৮৬ শতাংশ মানুষ বর্তমান ব্যবস্থাকে ঠিক মনে করেন, পূর্বের ক্ষেত্রে এই হার ৭৩ শতাংশ।
৩৫ বছর পরও বার্লিন দেয়ালের স্মৃতি জার্মানির ইতিহাসের অংশ হিসেবে রয়ে গেছে। দেশটির জন্য আসল চ্যালেঞ্জ হলো—সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমতার মাধ্যমে সত্যিকারের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- প্রেম, অভিমান আর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি’: রুদ্র–তসলিমার অজানা গল্প
- ডিজেলে লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা লোকসান, জানাল বিপিসি
- ‘তুই ছাড়া...’, শুভশ্রীর পোস্টে ফের আলোচনায় দেব-শুভশ্রী
- সম্প্রচারস্বত্বে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ, তদন্তে পিএসজি সভাপতি
- হরমুজে মার্কিন MQ-1 ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের
- জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- হাজারবার প্রার্থনা করেছি যেন পুরুষদেরও পিরিয়ড হয়: শ্রুতি হাসান
- ‘কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী আইন করার মূল্য সরকারকে দিতে হবে’: শফিকুর রহমান
- পাঁচ ভেন্যুতে হবে এনসিএল ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ চ্যাম্পিয়নশিপ
- ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: গালিবাফ
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- ব্রাজিলের সঙ্গে খেললেই বদলাবে না বাংলাদেশের ফুটবল, বললেন আমিনুল
- শরীফুলের বোলিংয়ে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস
- এআই জগতের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করল টাইম
- বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী




