• বুধবার , ১৫ জুলাই, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরিয়া ও লেবানন থেকে সেনা সরানোর আহ্বান ট্রাম্পের, নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

সিরিয়া ও লেবানন থেকে সেনা সরানোর আহ্বান ট্রাম্পের, নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৪৫ ১৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সিরিয়া ও লেবাননে মোতায়েন করা ইসরায়েলি সেনা ধীরে ধীরে প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি দুই নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক টেলিফোন আলাপচারিতায় এ বিষয়টি উঠে আসে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প মনে করেন, সিরিয়ায় ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতি আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। একই সঙ্গে তিনি লেবানন সীমান্তেও সামরিক উপস্থিতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু আলোচনায় জানান, ইসরায়েলের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নির্ধারণ করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বড় ধরনের সামরিক নীতিগত পরিবর্তনে দ্রুত এগোবে—এমন সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। ফলে সিরিয়া বা লেবানন থেকে তাৎক্ষণিক সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হতে পারে।

এদিকে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইতালির রোমে ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সীমান্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পূর্বে হওয়া একটি কাঠামোগত সমঝোতা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

জানা গেছে, সমঝোতার অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেখানে লেবাননের নিয়মিত বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে, লেবাননের পক্ষ দ্রুত সেনা প্রত্যাহারের পাশাপাশি এ বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি চেয়েছে।

হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছে।

বিজ্ঞাপন