মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালালো ইরান


প্রকাশিত: ০২:৫৪ ২৭ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের জবাবে ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেগুলোর কিছু অংশ ইসরায়েলে স্থানান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ করে বাহরাইনে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন নৌঘাঁটি সংস্কারের পরিকল্পনা চলছে। একই সঙ্গে কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
মার্কিন প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় কিছু ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ওই সময় ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ চালায়। এর মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরও একাধিকবার আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পেন্টাগন এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও মতভেদ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ এই সংঘাতকে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বলে মনে করছেন। প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লাভজনক হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ঘাঁটি স্থানান্তরের এই আলোচনা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে এবং ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
- নিতম্বে চোট পেয়ে এক মাসের বিরতি, শিগগিরই শুটিংয়ে ফিরছেন রাশ্মিকা
- দিল্লিতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের অনুমতি দেয়নি পুলিশ
- ২০ বছর পর গ্র্যান্ড স্ল্যামে প্রথম রাউন্ডেই জোকোভিচের বিদায়
- ‘এশিয়ার নোবেল’জয়ী রুনা খান সংগ্রাম থেকে বিশ্বজয়ের গল্প
- কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনের পাশে ফুডকোর্টে ভয়াবহ আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা
- র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের উন্নয়নকর্মী রুনা খান
- কোক স্টুডিওর শুটিং শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ বছরের পুরোনো বড় সরদার বাড়ি
- মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক জীবন, মন্ত্রীত্ব, মামলা-বিতর্ক ও হাদি হত্যার গুঞ্জন
- দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস, সাড়ে পাঁচ মাস পর ঢাকায় ফেরার প্রস্তুতি
- ১০ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ
- ‘ঢাকাই চলচ্চিত্রে এত চমৎকার অভিষেকের কথা ভাবিনি’: উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার
- নাসিরুদ্দিন শাহকে ‘শিয়াল’ বলে কঙ্গনা রানাওয়াতের কটাক্ষ
- রুহুল কবীর রিজভী কে? শিক্ষা, রাজনৈতিক জীবন ও বর্তমান দায়িত্ব
- গ্রিসে দাবানল নেভানোর সময় আকাশে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২
- ‘পালাব না’ হাঁক দেওয়া ওবায়দুল কাদের কোথায়? নেই কোনো হদিস
- গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন: জামায়াত
- প্রতিপক্ষের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশকে ফোন, নিজেই ফাঁসলেন যুবক
- বিপিএল এ বছর নাও হতে পারে: তামিম ইকবাল
- ফ্রান্সের দায়িত্বে জিদান: ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচের ৮০ হাজার টিকিট নিঃশেষ




