স্কুলের সামনে শটগান নিয়ে কিশোরের হামলা, আহত ১১ শিক্ষার্থী


প্রকাশিত: ০৬:২৯ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্লাস শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে স্কুলের বাইরে হঠাৎ গুলির শব্দ। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তুরস্কের মানিসা প্রদেশের ইন্সি উজমেজ হাই স্কুলের সামনে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটে এমনই এক ঘটনা। এক কিশোরের গুলিতে অন্তত ১১ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার সুযোগেই গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় হামলাকারী। পরে স্কুলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে। আটক করা হয়েছে ওই স্কুলেরই ১৫ বছর বয়সি এক শিক্ষার্থীকে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বড় একটি শটগান হাতে নিয়ে ওই কিশোর রাস্তায় হাঁটছিল। কিছুদূর যাওয়ার পর সে হঠাৎ গুলি চালায় এবং দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ পুরো এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করে।
তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, গুলিতে ব্যবহৃত অস্ত্রটি কিশোরটির দাদার মালিকানাধীন। কীভাবে অস্ত্রটি তার হাতে পৌঁছাল, সেটিও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় কিশোরটির পাশাপাশি তার বাবা, মা ও দাদাকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তবে কেন ওই কিশোর স্কুলের সামনে গুলি চালাল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলার পেছনে ব্যক্তিগত কোনো কারণ, পূর্বপরিকল্পনা কিংবা অন্য কোনো বিষয় ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আদালতের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে কিশোরটিকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
ঘটনার পর তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি যাচাই করতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দলও ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে তুরস্কে স্কুলকেন্দ্রিক গুলির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল। এর আগে এপ্রিল মাসে কাহরামানমারাসের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরের গুলিতে নয় শিশু শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ হামলার পর দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছানোর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। তদন্তকারীরা এখন হামলার উদ্দেশ্য, অস্ত্রের উৎস এবং ঘটনার আগে-পরে কিশোরটির গতিবিধি খতিয়ে দেখছেন।
সূত্র: BBC
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
- ক্রিকেটারদের পাসপোর্ট-আইফোনসহ ৮ লাগেজ উধাও, তদন্তে পুলিশ
- ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, বাড়ছে উত্তেজনা
- নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ, দ্বিতীয় ইউনিট চালুর লক্ষ্য জুনে
- অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল
- এলপিজি ব্যবসায়ীদের দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার, খোলা থাকবে দোকান
- ৬০ বছর বয়সে বাবা হতে চান সালমান খান, জানালেন মনের ইচ্ছা
- দেশের টাকা লুটে বিদেশে বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন ফ্যাসিবাদের দোসররা: রিজভী
- ভারতের জেন জি আন্দোলনে বাংলাদেশ অনুপ্রেরণা: ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা
- দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা




