সৌদির ওপর যদি হামলা হয়,তা যুক্তরাষ্ট্রের উপর হয়েছে বলে গণ্য হবে: ট্রাম্প


প্রকাশিত: ০৬:৩২ ১৯ অক্টোবর ২০২৫
সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে যাচ্ছে, যার অধীনে দেশটির ওপর কোনো আক্রমণ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস), এবং আশা করা হচ্ছে আগামী মাসে তার হোয়াইট হাউস সফরের সময় এটি চূড়ান্ত করা যাবে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি সূত্র জানিয়েছে, চুক্তিটি ‘বিশাল’ হবে এবং এতে দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে। এটি অনেকটা গত মাসে কাতারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের করা চুক্তির অনুরূপ, যেখানে ঘোষণা করা হয়েছিল যে উপসাগরীয় দেশের ওপর কোনো আক্রমণই আমেরিকার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, যুবরাজের সফরের সময় কিছু স্বাক্ষরের আলোচনা আছে, তবে বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত নয়। হোয়াইট হাউস এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট এখনো চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি, তবে উল্লেখ করেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ‘আমাদের আঞ্চলিক কৌশলের শক্ত ভিত্তি’।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট আরও জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সৌদি আরবের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করে সংঘাত সমাধান, আঞ্চলিক সংহতি বৃদ্ধি ও সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয় অগ্রহণযোগ্য করা চালিয়ে যাবে।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সফরের ঠিক আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করেছিলেন, কাতারে কোনো আক্রমণ হলে যুক্তরাষ্ট্র সব ‘আইনসংগত ও যথোপযুক্ত ব্যবস্থা—ডিপ্লোম্যাটিক, অর্থনৈতিক এবং প্রয়োজনে সামরিক’ গ্রহণ করবে।
এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের সম্ভাবনা সংযুক্ত একটি চুক্তির চেষ্টা করছিল, তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং গাজা যুদ্ধ এই পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে। এমবিএস স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সৌদি আরব কেবল তখনই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে যখন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা চুক্তি, যা চুক্তি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হতে পারে। থিংক ট্যাংক ইউরেশিয়া গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরাস মাকসাদ মনে করেন, কাতারের সঙ্গে নির্বাহী আদেশের পর, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ে অনুরূপ অগ্রগতি আশা করা যায়।
সৌদি আরব ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে এবং এর আগে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি করেছিল। এছাড়া, গত মাসে সৌদি আরব পাকিস্তানের সঙ্গে ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা’ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে যে দেশটি তার নিরাপত্তা জোট বৈচিত্র্য করতে প্রস্তুত।
সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- SEO Expert নিচ্ছে Nebula IT Bangladesh
- মন্দিরে পূজা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কে সারা আলি খান
- Marketing Officer নিয়োগ দিচ্ছে Monir Neuro Spine Surgical Mart
- আকর্ষণীয় বেতনে HAJ Corporation-এ নিয়োগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- অবশেষে নিবন্ধন পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি
- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন, বাদ মালিঙ্গাসহ ৩ জন
- সৌদি আরবের হয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে পাকিস্তান? যা জানা যাচ্ছে
- বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার খবর নাকচ করল জাপান
- ১ নভেম্বর ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে সিজেপির সমর্থন, দাবি সিইসির পদত্যাগ
- আবারও ন্যায্য মজুরি আদায়ের দাবিতে সড়ক অবরোধ গার্মেন্টস শ্রমিকদের
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু




