রবিবার , ৩১ আগস্ট, ২০২৫ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ০১:০৮ ৩০ আগস্ট ২০২৫
দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ে। ২০ আগস্ট ভারত ঘোষণা দিয়েছে, তারা সফলভাবে অগ্নি-৫ নামের মাঝারি থেকে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। উড়িষ্যা রাজ্যের বে অব বেঙ্গল উপকূল থেকে উৎক্ষেপিত এ ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের কৌশলগত সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
অগ্নি-৫: ভারতের শক্তির প্রদর্শনী
সংস্কৃত শব্দ অগ্নি মানে ‘আগুন’। নামের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে অগ্নি–৫ যেন অগ্নিশক্তির প্রতীক।
এমন ক্ষমতা ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারকে বিশ্বের দ্রুততম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর সারিতে দাঁড় করিয়েছে। এই পাল্লার মধ্যে শুধু পাকিস্তান নয়, চীনের উত্তরাঞ্চল ও ইউরোপের কিছু অংশও পড়ে।
পাকিস্তানের পাল্টা প্রস্তুতি
ভারতের পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে পাকিস্তান ঘোষণা দেয়, তারা নতুন আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ড (এআরএফসি) গঠন করতে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মে মাসে চার দিনের সীমান্ত সংঘাতে নিজেদের প্রতিরক্ষার ঘাটতি টের পাওয়ার পর ইসলামাবাদ এ উদ্যোগ নেয়।
তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে ইতিমধ্যে রয়েছে—
তবে পাকিস্তানের এখনো কোনো পারমাণবিক সাবমেরিন বা ৫ হাজার কিমি–এর বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নেই।
ভারতের আসল নিশানা কে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্নি–৫–এর মূল উদ্দেশ্য পাকিস্তান নয়, বরং চীনকে লক্ষ্য করা।
অগ্নি থেকে অগ্নি-৬: ভারতের পরবর্তী ধাপ
অগ্নি-৫–এর পর ভারত এখন কাজ করছে অগ্নি-৬ নিয়ে, যার পাল্লা হবে ১০ হাজার কিমি–এর বেশি। এতে থাকবে একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তু আঘাত করার এমআইআরভি প্রযুক্তি।
বর্তমানে ভারতের হাতে রয়েছে:
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বনাম ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: ভিন্ন চোখে ভারত ও পাকিস্তান
দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা
দক্ষিণ এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিযোগিতা এখন আর শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভারতের লক্ষ্য বহুদূর, বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তার করা। আর পাকিস্তান প্রতিরক্ষার নামে ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন