আপসহীন নেত্রীর চিরবিদায়: শোকের সাগরে দেশ, না ফেরার দেশে বেগম খালেদা জিয়া


প্রকাশিত: ১০:০৭ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা দেশে।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে থাকা এই আপসহীন নেত্রী মৃত্যুকালে ৮০ বছর বয়সে পৌঁছেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী এবং তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্ব, রাজনৈতিক দৃঢ়তা ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।
দেশ-বিদেশে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার নারী প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় এই নেত্রীর প্রয়াণে দেশবাসী গভীর শোকে মুহ্যমান। দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, ভক্ত ও অনুসারীরা তাঁকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে চোখের জলে ভাসছেন। তাঁর মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
জানা গেছে, শেষ সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনের পর দেশে ফেরা বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান, নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমানসহ স্বজনরা তাঁর পাশে ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও শুভানুধ্যায়ীরা।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবন, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে শোকাহত নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর ভক্ত, অনুসারী ও সাধারণ মানুষ।
আপসহীন নেতৃত্ব, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর প্রস্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক শূন্যতার সৃষ্টি করল, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - রাজনীতি
- কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ল চালের দাম, ডিম-মুরগির বাজারেও স্বস্তি নেই
- মুম্বাইয়ে আটক হওয়ার পর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখালেন আমির খানের ভাতিজি
- রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি, জামায়াত নেতার উপদেষ্টার বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের অভিযোগ
- ভবিষ্যৎ ফুটবলের ১০ তারকা বেছে নিলেন মেসি, তালিকায় কারা?
- দিল্লিতে ফের বিক্ষোভের প্রস্তুতি, পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময় দিল ককরোচ জনতা পার্টি
- জ্বালানিনিরাপত্তায় সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা চায় বাংলাদেশ
- রোনালদোকে নভেম্বরেই পর্তুগাল দলে ফেরাতে চান ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি
- নেপালে ফের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু
- ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, বাড়ি বাড়ি যাবেন সরকারি কর্মীরা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- প্রেম, অভিমান আর ‘আকাশের ঠিকানায় চিঠি’: রুদ্র–তসলিমার অজানা গল্প




