রবিবার , ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১৯ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত: ০২:৪০ ১ জানুয়ারী ২০২৬
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান অভিযোগ করেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পরিকল্পিতভাবে ‘স্লো পয়জনিং’-এর শিকার করা হয়েছিল, যার ফলেই তাঁর পরবর্তী শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।
এম নাসের রহমান বলেন, ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি প্রথমবারের মতো এই বিষক্রিয়ার তথ্য ও প্রমাণ বিএনপির মহাসচিবকে অবহিত করেন। সে সময় নিজ দপ্তরে মহাসচিবকে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রামাণিক তথ্য উপস্থাপন করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে বিএনপির মহাসচিব বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেগম খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয় এবং সেখানে তিনি প্রায় ১৩ মাস অবস্থান করেন। তাঁর অভিযোগ, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে বিষয়টি ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত ওই সময়ের মধ্যেই ‘স্লো পয়জনিং’ চলছিল।
এম নাসের রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত একজন বিদেশি নাগরিককে কারারক্ষীর ছদ্মবেশে কারাগারে প্রবেশ করানো হয়েছিল। তাঁর দাবি অনুযায়ী, জেনারেল (অব.) তারেক সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি চক্র এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে ওই বিদেশি নাগরিক সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ধরা পড়ে এবং তার কাছ থেকে বিষযুক্ত একটি পাউচ উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, ঘটনার পরদিনই বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি প্রায় এক বছর চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ওই বিষক্রিয়ার প্রভাবে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতাসহ একাধিক গুরুতর রোগ সৃষ্টি হয়, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়—এমন দাবি তিনি করেছেন।