• বুধবার , ১৯ আগস্ট, ২০২৬ | ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলাও মোবাইল ভাঙচুর!

গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলাও মোবাইল ভাঙচুর!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:৪৬ ১৯ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সিলেট বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলাকালে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ওই সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। “আমার দেশ” পত্রিকার প্রতিবেদক জাহিদুল ইসলাম জানান, তিনি সকাল থেকেই কার্যালয়ে ছিলেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় ভেতরে ভিডিও করছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ওপর চড়াও হন।

তিনি বলেন, “আমি ভিডিও করছিলাম। হঠাৎ ৩–৪ জন এসে আমাকে টেনে নিয়ে যায়। তারা আমার মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে, প্রেস কার্ড কেড়ে নেয়। আমি জানাই, যদি ভিডিও করা নিষেধ হয়, তাহলে আমি ফুটেজ মুছে ফেলব। কিন্তু তারা কোনো কথা না শুনেই আমাকে মারধর করে কার্যালয়ের বাইরে বের করে দেয়।”

অন্য সাংবাদিকরাও হামলার শিকার:
ঘটনার সময় ডেইলি স্টার-এর সাংবাদিক সাজ্জাদ, নয়া দিগন্ত-এর অসীম আল ইমরান এবং জাগো নিউজ-এর খালিদ হোসেনও হামলা ও হেনস্তার শিকার হন বলে উপস্থিত সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সমাজে ক্ষোভ:
এই ঘটনার পর বিএনপি বিট কাভার করা সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা বলেন, “একজন সাংবাদিককে রক্তাক্ত করা, মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা ও আইডি কার্ড কেড়ে নেওয়া—এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি নিয়ে আমরা যৌথভাবে প্রতিবাদ জানাব।”

বিএনপি নেতাদের প্রতিক্রিয়া:
ঘটনা সম্পর্কে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেন, “ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। দায়ীদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদের জানানো হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি ইতোমধ্যে শীর্ষ মহলকে বিষয়টি জানিয়েছি।”

 

বিজ্ঞাপন