• শনিবার , ২৯ আগস্ট, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জ্বালানি-শূন্য বাংলাদেশ’ ভারতীয় মিডিয়ার দাবি মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর

‘জ্বালানি-শূন্য বাংলাদেশ’ ভারতীয় মিডিয়ার দাবি মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:৩২ ৪ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে বাংলাদেশসহ এশিয়ার অনেক দেশ বর্তমানে জ্বালানি চাপে রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় জ্বালানি আমদানিতে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারকে সংযমমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

তবে চলমান এই সংকটকে “সম্পূর্ণ জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়া” হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে।

সম্প্রতি ভারতের একটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, জাহাজ না পৌঁছালে বাংলাদেশ পৃথিবীর প্রথম “জ্বালানি-শূন্য দেশ” হয়ে পড়তে পারে। কিন্তু এই দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং স্পষ্টতই অতিরঞ্জিত।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মূল সংকট সরবরাহ ব্যবস্থার ভেঙে পড়া নয়; বরং আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত চাহিদা ও মজুতদারির কারণে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।

এদিকে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, আমদানি বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎস খোঁজার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি ভারত থেকেও ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ জ্বালানি চাপে থাকলেও “জ্বালানি-শূন্য দেশ” হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাস্তবসম্মত নয়; বরং এটি একটি অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা।

বিজ্ঞাপন