• রবিবার , ৩০ আগস্ট, ২০২৬ | ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকেলে ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা, রাতেও বাড়তে পারে ভোগান্তি

বিকেলে ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা, রাতেও বাড়তে পারে ভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:১৭ ২৯ আগস্ট ২০২৬

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার (২৯ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পিজিসিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল ১০টায় প্রায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। এরপর ঘাটতি দ্রুত বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় তা ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট, বিকেল ৩টায় ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

সন্ধ্যায় কিছুটা কমলেও রাতের দিকে আবার বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে পারে। পূর্বাভাসে সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের কথা বলা হয়েছে। রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।

তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। বিপরীতে উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। রাত ১০টায় ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। ফলে রাতেও বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরেই দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এর ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। শনিবারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেলের পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে এবং রাতেও লোডশেডিং অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন