বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বিদেশি ঋণই আবার বড় ভরসা

প্রকাশিত: ০২:২৩ ২২ মে ২০২৪
বাজেটের ব্যয় মেটাতে বাড়ছে সরকারের ঋণনির্ভরতা। চলতি অর্থবছরের মতো আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের জন্যও সরকার বিপুল পরিমাণ ঋণ করতে যাচ্ছে। আগামী বাজেট হতে পারে প্রায় ৮ লাখ কোটি টাকার। ঋণের পরিমাণ হতে পারে ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার মতো। যার এক-তৃতীয়াংশ অর্থই আসবে দেশি-বিদেশি ঋণ হিসেবে।
প্রায় প্রতি অর্থবছরেই বাজেট তৈরির সময় সরকার ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশের কিছুটা বেশি রাখে। এবারই এ লক্ষ্যমাত্রা ৫ শতাংশের নিচে রাখা হচ্ছে। তারপরও ঘাটতির পরিমাণ বাড়ছে, যা মেটাতেই বিপুল ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করছে সরকার। ঋণের বেশির ভাগ অর্থই আসবে আবার দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে। বাজেট প্রণয়নের মূল দায়িত্বে থাকা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজেট–ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছরে মোট ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিট বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি এবং দেশি বা অভ্যন্তরীণ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। বিদেশি ঋণের উৎস হচ্ছে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশ। অভ্যন্তরীণ ঋণের বড় অংশই ব্যাংকঋণ, চলতি অর্থবছরে যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। বাকি ঋণ সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
আগামী অর্থবছরে মোট ঋণের মধ্যে নিট বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকার মতো। বাকি ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে দেশি ঋণ। দেশি ঋণের মধ্যে ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে। বাকি ২০ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও অন্যান্য উৎস থেকে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশি ঋণের স্থিতি প্রকাশ করেছে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি ছিল ৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশি ঋণের স্থিতি ৭ হাজার ৯৭৯ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলারকে ১১৭ টাকা ধরে হিসাব করলে তা ৯ লাখ ৩২ হাজার ৪০৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো জানায়, দেশি-বিদেশি ঋণের স্থিতি এত বড় হওয়ার কারণেই সুদ পরিশোধ বাবদ বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখতে হচ্ছে আগামী বাজেটে। আগামী অর্থবছরে ঋণের সুদ বাবদ বরাদ্দ রাখতে হবে ১ লাখ টাকা কোটি টাকার বেশি, যার বড় অংশই ব্যয় হবে দেশি ঋণের সুদ পরিশোধে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৪০ শতাংশের মধ্যে থাকাকে ঝুঁকিমুক্ত বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ হার বর্তমানে ৩৭ শতাংশেরও বেশি। এ হার এখনো ঝুঁকিমুক্ত থাকলেও রাজস্ব আয় সংগ্রহে ভালো গতি না থাকায়, ১০ মাসের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি তেমন ভালো না হওয়ায় (প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ), প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) আশানুরূপ চিত্র দেখা না যাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত। ডলারের দাম এখনো সন্তোষজনক মাত্রায় স্থিতিশীল না হওয়ার বিষয়টি তাঁদের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সর্বোচ্চ পঠিত - অর্থ ও বাণিজ্য
- মেসিকে বিশ্বসেরা মানলেও ইয়ামালের আদর্শ নেইমার
- সৌদিতে শুটিংয়ের সময় ইসলাম গ্রহণ করলেন হলিউড অভিনেতা জিয়ানকার্লো এসপোসিতো
- লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা
- ইসলামবিদ্বেষী গালাগাল করে কানাডায় মসজিদের ইমামের ওপর হামলা
- ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার
- এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে তরুণীকে বারে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ
- হিজাব ছাড়া পারফর্ম করায় ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ
- পঞ্চগড়ে সাপের কামড়ে সাবেক শিক্ষিকার মৃত্যু, শোকে কুমারটোল গ্রাম
- মূল্যবান বস্তু ভেবে বাড়িতে নিলেন, পরে জানা গেল মর্টার শেল!
- জাতিসংঘ কর্মকর্তার সাথে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়
- রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু, আদালতে নতুন দাবি আসামির
- দেশে ৫ মাসে ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার
- আমিনুল হকের নির্বাচনী ফেস্টুনে আসামির ছবি নিয়ে বিতর্ক
- কিয়েভে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া
- পাঁচ বছরের কন্যাসন্তানকে ২২ তলা ভবন থেকে ফেলে দিলেন মা
- দেশীয় প্রযুক্তির ইলেক্ট্রিক ভেহিক্যাল চালিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
- ইংল্যান্ড থেকে আরও দুই ফুটবলার যুক্ত হচ্ছেন বাংলাদেশ দলে
- ২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা কলম্বিয়ার, অধিনায়ক জেমস রদ্রিগেজকে
- বিশ্বকাপের আগে বড় দুঃসংবাদ আর্জেন্টিনার জন্য, চোটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ নিয়ে শঙ্কা
- রামিসা হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি আজ, আদালতে হাজির দুই আসামি




