• সোমবার , ২০ এপ্রিল, ২০২৬ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকসুর রাষ্ট্রসংস্কার দাবিতে চবিতে সমালোচনা, এজিএস স্বাক্ষর না থাকায় প্রশ্ন

চাকসুর রাষ্ট্রসংস্কার দাবিতে চবিতে সমালোচনা, এজিএস স্বাক্ষর না থাকায় প্রশ্ন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি দিয়ে অবিলম্বে গণভোট আয়োজন ও রাষ্ট্রসংস্কারের মাধ্যমে ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্তি’ আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় চাকসুর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৪-এর ছাত্র-শ্রমিক-জনতার জুলাই বিপ্লব ছিল বৈষম্য, অবিচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনকাঠামোর বিরুদ্ধে এক রক্তাক্ত আন্দোলন। শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য ছিল। চাকসু দাবি করেছে, কিছু রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেও সংস্কারের পথে বাধা দিচ্ছে এবং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করছে।

চাকসুর এই বিবৃতিকে ঘিরে ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে সমালোচনা। ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহান ইশরাক বলেছেন, “ক্যাম্পাসের কাজের খবর নাই, আসছে জাতীয় ইস্যু নিয়ে বিবৃতি।” আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিফ রহমান মন্তব্য করেছেন, “চাকসু কি জামায়াতের দলীয় কিছু?”

শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুল করিম লিখেছেন, “চাইলাম মিল সিস্টেম চালু হোক, ডাইনিং ঠিক হোক, নির্বাচনের বিবৃতি পড়ছি। শাহ জালাল হলে খাবারের মান ভীষণ খারাপ। তবে আমাদের ছাত্র প্রতিনিধি তা নিয়ে মাথা ঘামায় না। এ বিবৃতিতে দলের নয়, চাকসুর ব্যানার ব্যবহার মানে কি চাকসুর অনুমোদন আছে?”

এছাড়া চাকসুর প্রকাশিত বিবৃতিতে সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) স্বাক্ষর না থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থানকে চাকসুর ব্যানারে প্রচার করা হয়েছে।

চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী মোঃ শাফায়েত লিখেছেন, “জোকস অব দ্য ইয়ার, চাকসু অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সব(শিবির) শিক্ষার্থীর কণ্ঠস্বর।”

তবে সমালোচনার পাশাপাশি কিছু শিক্ষার্থী চাকসুর এই উদ্যোগকে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক চেতনার প্রকাশ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত সংস্কারের প্রশ্নে ছাত্রসমাজের অবস্থান নেওয়া সময়ের দাবি।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/