সালাহউদ্দিন আহমেদ: সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও প্রত্যাবর্তনের গল্প

সালাহউদ্দিন আহমেদ: সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও প্রত্যাবর্তনের গল্প

প্রকাশিত: ০৪:৫৩ ৭ জুলাই ২০২৬
সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের রাজনীতির একজন পরিচিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব। কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে উঠে আসা এই নেতা আইন, প্রশাসন ও রাজনীতি—তিন ক্ষেত্রেই নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান। সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, দলের মুখপাত্র এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ অতিক্রম করেছেন। নিখোঁজ হওয়া, ভারতে অবস্থান, মামলা এবং দীর্ঘ অনুপস্থিতির পরও তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন। তার জীবন তাই শুধু একজন রাজনীতিবিদের গল্প নয়; এটি সংগ্রাম, ধৈর্য, রাজনৈতিক আনুগত্য এবং প্রত্যাবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
পরিচয়
সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি কক্সবাজারের রাজনীতি থেকে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসা একজন আইনজীবী, সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসসের জীবনী অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শৈশব ও পরিবার
সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৬২ সালের ৩০ জুন কক্সবাজার জেলার তৎকালীন চকরিয়া, বর্তমান পেকুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মাওলভী সাঈদুল হক এবং মা বেগম আয়েশা হক। পরিবারে তিনি দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে চতুর্থ সন্তান।
ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন। কক্সবাজারের পেকুয়া-চকরিয়া এলাকার সন্তান হিসেবে তিনি পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনীতির বাইরেও জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
পড়াশোনা
তার শিক্ষাজীবন ছিল কৃতিত্বপূর্ণ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে এলএলবি অনার্স এবং এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনে তিনি একজন ভালো বিতার্কিক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা তার রাজনৈতিক চিন্তা, সংসদীয় ভাষা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তীতে আইন পেশা ও প্রশাসনিক চাকরির অভিজ্ঞতা তাকে রাজনীতিতে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সাহায্য করে।
কর্মজীবনের শুরু
রাজনীতিতে পুরোপুরি আসার আগে সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। এরপর তিনি সপ্তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এই প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তার রাজনৈতিক জীবনে বড় সম্পদ হয়ে ওঠে। কারণ তিনি মাঠ প্রশাসন, আইন, শাসনব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামো—সবকিছু কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান।
ছাত্ররাজনীতি ও বিএনপিতে যুক্ত হওয়া
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন পর্যায়ের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। বাসসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
১৯৮০-এর দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। এই সময়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে বিএনপির ভেতরে ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ
১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এই দায়িত্ব তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বড় মোড় এনে দেয়। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছাকাছি থেকে কাজ করার কারণে তিনি বিএনপির নীতি, সাংগঠনিক পদ্ধতি এবং সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ভূমিকা
সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজার-১, চকরিয়া-পেকুয়া আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বাসসের জীবনীতে বলা হয়েছে, তিনি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওই আসন থেকে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। সেই সময় দেশের যোগাযোগ খাতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে তিনি কাজ করেন বলে সরকারি জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির মুখপাত্র ও আন্দোলনের সময়কার ভূমিকা
২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাসসের জীবনীতে বলা হয়েছে, কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তিনি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নেতৃত্ব দেন।
প্রথম আলো ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে জানায়, ভারতে অবস্থান করেও তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে যুক্ত থাকতেন এবং দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভূমিকা রাখতেন।
কেন তিনি দীর্ঘদিন দেশে ফিরতে পারেননি
২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হন। পরে ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে তাকে পাওয়া যায় বলে ভারতীয় পুলিশ জানায়। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিলংয়ে গ্রেপ্তারের পর তিনি মেঘালয় পুলিশকে জানান যে, ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে গোয়েন্দা পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যায়।
তার বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের মামলা হয়। ২০১৮ সালে তিনি ওই মামলায় খালাস পান এবং ২০২৩ সালে উচ্চ আদালত থেকেও দেশে ফেরার অনুমতি পান।
তবে আদালতের অনুমতির পরও তিনি দীর্ঘ সময় ভারতে আটকে ছিলেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালেও বিএনপির ভেতরে ও বাইরে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন ছিল, খালাস পাওয়ার পরও কেন তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না।
তার নির্বাসনের অবসান
প্রায় ৯ বছর ভারতে থাকার পর ২০২৪ সালের আগস্টে সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বিএনপির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছান এবং বিমানবন্দরে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান।
দেশে ফিরে তিনি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেন। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফেরেন।
বিএনপিতে তার অবস্থান
সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। এটি দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম। বাসসের জীবনী অনুযায়ী, তিনি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করছেন।
দীর্ঘ অনুপস্থিতির পরও তিনি দলের ভেতরে প্রভাব ধরে রাখতে পেরেছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি শারীরিকভাবে দেশে না থাকলেও দলীয় নীতিনির্ধারণী বৈঠকে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ভূমিকা রাখতেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক
সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তারেক রহমানের সম্পর্ককে ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের চেয়ে রাজনৈতিক আস্থা ও দলীয় ঘনিষ্ঠতার জায়গা থেকে দেখা বেশি যুক্তিসঙ্গত। সালাহউদ্দিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে যুক্ত ছিলেন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে সালাহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পর মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
এ থেকে বোঝা যায়, দলীয় রাজনীতিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রকাশ্য সমর্থন রয়েছে। তিনি বিএনপির নেতৃত্ব, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দলীয় ঐক্যের প্রশ্নে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন।
তার ইতিবাচক দিক
সালাহউদ্দিন আহমেদের কয়েকটি ইতিবাচক দিক বেশি আলোচিত।
প্রথমত, তিনি আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত। আইন, প্রশাসন ও রাজনীতি—এই তিনটি ক্ষেত্রেই তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এটি তাকে নীতি, সংবিধান, প্রশাসন ও সংসদীয় আলোচনায় দক্ষ করে তুলেছে।
দ্বিতীয়ত, তিনি মাঠ পর্যায় থেকে জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসা নেতা। কক্সবাজার-১ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হওয়া তার স্থানীয় জনপ্রিয়তার প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়।
তৃতীয়ত, তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন। নিখোঁজ হওয়া, মামলা, বিদেশে আটকে থাকা—এসব ঘটনার পরও তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাননি।
চতুর্থত, তিনি প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনীতিবিদ। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব দিক বুঝতে সাহায্য করেছে।
পঞ্চমত, তিনি বক্তা ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত। বাসসের জীবনীতে তাকে দক্ষ সংগঠক ও স্পষ্টভাষী নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমান জীবন
বর্তমানে সালাহউদ্দিন আহমেদ জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। ২০২৬ সালে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের সময় তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বলে প্রথম আলো জানিয়েছে।
বাসসের জীবনী অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদও সাবেক সংসদ সদস্য এবং রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।
দীর্ঘ নির্বাসন, মামলা ও রাজনৈতিক সংকট পেরিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ এখন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক এবং সরকারের দায়িত্বশীল পদে থাকা একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।
উপসংহার
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সালাহউদ্দিন আহমেদের জীবন একটি বহুল আলোচিত অধ্যায়। সাধারণ পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি তাঁর প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নিজের একটি স্বতন্ত্র স্থান তৈরি করেছেন। তাঁর আইন পেশা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন তাঁকে একজন পরিণত রাজনীতিবিদ হিসেবে গড়ে তুলেছে। জীবনের কঠিন সময়েও তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাননি, বরং ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন। বিএনপির রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা, তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি তাঁর রাজনৈতিক সমর্থন এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাঁর অংশগ্রহণ তাঁকে আমাদের সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
সর্বোচ্চ পঠিত - জীবনী
- বিএনপি নেতার বাড়িতে সরকারি সার ও ধানবীজ, এলাকায় সমালোচনা
- খামেনির শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে খাবার বিতরণ করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- সালাহউদ্দিন আহমেদ: সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও প্রত্যাবর্তনের গল্প
- আফগান ক্রিকেটের পথিকৃৎ পেসার শাপুর জাদরান আর নেই
- বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ
- শেষ ষোলোতে আজ আর্জেন্টিনার সামনে মিশর চ্যালেঞ্জ
- মৃত্যুর গুঞ্জন উড়িয়ে খামেনির জানাজায় আহমাদিনেজাদ
- অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন
- নড়াইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও গণমিছিল, দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান
- সহায়তা নয়, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যনির্ভর সম্পর্ক চায় যুক্তরাষ্ট্র
- রিয়া মনি হত্যা মামলায় নাম নিয়ে বিভ্রান্তি, প্রতিবাদ জানালেন সাভার পৌর ছাত্রদল নেতা রনি ইসলাম
- জনগণের অর্থ ব্যয় ছাড়াই বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য মন্ত্রণালয়
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
- মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে সমন্বিত হামলার দাবি ইরানের
- সাভার পৌর ছাত্রদলে নতুন কমিটি গঠন, শীর্ষ পদে আরমান-হিমেল-নাঈম
- মহররম মাসেই হবে খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য
- বড়বাড়ি সীমান্তে পুশইন হওয়া ১০ জনকে ৭০ ঘণ্টা পর ফেরত নিল বিএসএফ
- ভারতের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে শিবাজীর মূর্তি বসাচ্ছে ইসরাইল
- ‘এটা আমাদের গল্প’ দেখে দর্শকরা রোমান্টিক হয়ে গেছে: কেয়া পায়েল
- ডা. শফিকুর রহমান: জীবন, চিকিৎসা পেশা ও রাজনৈতিক পথচলা





