• রবিবার , ১৫ মার্চ, ২০২৬ | ১ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট করেছে ২১.৪ শতাংশ: টিআইবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাল ভোট করেছে ২১.৪ শতাংশ: টিআইবি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৫৮ ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক’ হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে Transparency International Bangladesh। সংস্থাটি নির্বাচনকে ‘অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ বলেও অভিহিত করেছে।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও প্রার্থীদের হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক Iftekharuzzaman (ড. ইফতেখারুজ্জামান)।

জাল ভোট ও অনিয়মের চিত্র

টিআইবির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে—

  • ২১.৪ শতাংশ ভোট জাল হিসেবে পড়েছে।
  • ১৪.৩ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।
  • নির্বাচন-পরবর্তী ১২৫টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

টিআইবি জানায়, শুরুতে তুলনামূলক সুস্থ প্রতিযোগিতার লক্ষণ দেখা গেলেও পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা পুরোনো রাজনৈতিক চর্চায় ফিরে যান। এতে আন্তঃদলীয় কোন্দল, ক্ষমতার জন্য অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং সহিংসতা বৃদ্ধি পায়, যা নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও অব্যাহত থাকে।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা

টিআইবি বলেছে, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের প্রচেষ্টা দৃশ্যমান ছিল। তবে রাজনৈতিক সংঘাত, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও অনিয়ম প্রতিরোধে কমিশনের ওপর অর্পিত ক্ষমতার কার্যকর প্রয়োগ অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয়নি।

পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ৯৯ শতাংশ প্রার্থী আচরণবিধির ৫৮টি বিষয়ের অন্তত একটি লঙ্ঘন করেছেন। অনলাইন ও অফলাইন প্রচারণায় ব্যাপক অনিয়ম হলেও কমিশনের সীমাবদ্ধতার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। ফলে সবার জন্য সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র ও সম-অধিকারভিত্তিক নিরাপদ পরিবেশ পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন

এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচন তুলনামূলকভাবে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। তবে Bangladesh Awami League (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ)-কে বাইরে রেখে নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়েছে—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অন্য প্রতীকে ভোট দিতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং ভোটও দিয়েছেন। তাই শতভাগ নেতাকর্মী ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন—এমনটি বলা যায় না।

বিএনপির ঋণগ্রস্ত প্রার্থী প্রসঙ্গ

পর্যবেক্ষণে Bangladesh Nationalist Party (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি)-এর নির্বাচিত কয়েকজন ঋণগ্রস্ত প্রার্থীর বিষয়টি উঠে আসে। এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ঋণগ্রস্ত হওয়া আর ঋণখেলাপি হওয়া এক নয়। আইন অনুযায়ী তারা ঋণখেলাপি নন।

সূত্র: https://www.facebook.com/share/v/188EPzXC5X/

 

 

 

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/