স্মার্টফোনের দাম ৫০–৬০ ডলারে নামানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার


প্রকাশিত: ০২:৩৬ ১৯ আগস্ট ২০২৬
দেশের মানুষের হাতে কম দামে ডেটা-নির্ভর স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। লক্ষ্য হলো স্মার্টফোনের দাম ৫০ থেকে ৬০ মার্কিন ডলারের মধ্যে নামিয়ে আনা। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আরও বেশি মানুষ সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারেন।
বর্তমানে শিক্ষা, ব্যবসা, যোগাযোগ ও সরকারি সেবা গ্রহণে স্মার্টফোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে তুলনামূলক বেশি দামের কারণে দেশের অনেক মানুষের জন্য ভালো মানের স্মার্টফোন কেনা কঠিন। সরকার এই ব্যবধান কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
কম দামে স্মার্টফোন দেওয়ার লক্ষ্য
সরকারের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের কাছে ডেটা ব্যবহারের উপযোগী স্মার্টফোন পৌঁছে দেওয়া। স্মার্টফোনের দাম ৫০ থেকে ৬০ ডলারে নামিয়ে আনা সম্ভব হলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ডিভাইস কেনা সহজ হতে পারে।
কম দামের স্মার্টফোনের মাধ্যমে মানুষ অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল লেনদেন, সরকারি সেবা এবং বিভিন্ন তথ্যভিত্তিক সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। বিশেষ করে গ্রাম ও কম সুবিধাপ্রাপ্ত এলাকার মানুষ ডিজিটাল সেবার সঙ্গে আরও সহজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের সুযোগ বাড়বে
শুধু স্মার্টফোন সরবরাহ করলেই ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত হয় না। ডিভাইসটিতে প্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যবহার, ইন্টারনেট সংযোগ এবং নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেটের সুবিধাও গুরুত্বপূর্ণ।
কম দামে ব্যবহারযোগ্য স্মার্টফোন পাওয়া গেলে শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার এবং সাধারণ ব্যবহারকারীরা উপকৃত হতে পারেন। অনলাইন ক্লাস, মোবাইল ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য এবং সরকারি ডিজিটাল সেবা গ্রহণও সহজ হতে পারে।
মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি
দাম কমানোর পাশাপাশি স্মার্টফোনের মান, ব্যাটারির স্থায়িত্ব এবং ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। খুব কম দামের ডিভাইস হলেও সেটি যেন দৈনন্দিন কাজের উপযোগী হয়, সে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
ফোনে নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম, প্রয়োজনীয় স্টোরেজ এবং বিক্রয়-পরবর্তী সেবা থাকা দরকার। না হলে কম দামে ফোন কেনার পর ব্যবহারকারীরা নানা সমস্যায় পড়তে পারেন।
বিস্তারিত পরিকল্পনার অপেক্ষা
স্মার্টফোনের দাম কীভাবে ৫০ থেকে ৬০ ডলারে নামানো হবে, কোন প্রতিষ্ঠান ফোন তৈরি বা সরবরাহ করবে এবং কবে থেকে মানুষ এই সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন।
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে ফোনের মান, ইন্টারনেটের খরচ, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের কাছে ডিভাইস পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতির ওপর।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- ৬০ লাখ ডলারের গয়না লুট, কিম কার্দাশিয়ান ক্ষতিপূরণ পেলেন মাত্র ১ ইউরো-কেন?
- নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবার বাড়ল, ১০ শলাকা এখন ৬৫ টাকা
- ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ, মেগা প্রকল্প নিয়ে যা বললেন শিবির সভাপতি
- মেসির রেকর্ড ছুঁলেন রাফিনিয়া, ৭ গোলের রাতে ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা
- বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা, পরিবার আনার সুযোগ সীমিত করছে অস্ট্রেলিয়া
- র্যাব বিলুপ্ত, যাত্রা শুরু এসআরবির; বদলাবে পোশাক-লোগো-যানবাহনের রং
- কারাগারেই জন্ম, ৭ বছর পর মায়ের হাত ধরে মুক্ত মোবাশ্বেরা
- জিন্নাহ-শেখ মুজিব সম্পর্কের অজানা অধ্যায়, কী হয়েছিল ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে?
- প্রাক্তনকে বারবার মনে পড়ছে? যেসব উপায়ে ভুলতে পারবেন
- নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে বৈদ্যুতিক ট্রেন, ব্যয় ৩৮২২ কোটি
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ
- অকালে হারানো বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ মহানায়ক সালমান শাহ
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- ব্রাজিলের সঙ্গে খেললেই বদলাবে না বাংলাদেশের ফুটবল, বললেন আমিনুল
- দেশজুড়ে আরও পাঁচ দিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস



