সংকটের কঠিন মুহূর্তে আমার পাশে ছিল বিএনপি ও সশস্ত্র বাহিনী: রাষ্ট্রপতি


প্রকাশিত: ০৪:১৮ ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা চিরতরে ধ্বংস করার এবং সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করার নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ওই সময় আমি দৃঢ়চিত্তে আমার সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলাম। ফলশ্রুতিতে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হয়নি।” রাষ্ট্রপতির মতে, অসাংবিধানিকভাবে তাকে অপসারণের পরিকল্পনা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে, এবং বিশেষভাবে বিএনপি সেই কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছে।
রাষ্ট্রপতি দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের অভিজ্ঞতা ‘সহজ’ ছিল না উল্লেখ করে বলেন, “ওই সময় আমি কোনো আলোচনায় নিযুক্ত ছিলাম না, অথচ আমাকে কেন্দ্র করে নানা চক্রান্ত চলে। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা চলছিল।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু গণ-অভ্যুত্থান নেতার চাপে তাকে অপসারণের চেষ্টা হয়েছিল, এবং রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘ আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে কেবল তাদের সম্মতি থাকলে রাষ্ট্রপতিকে সরানো সম্ভব।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “ওই কঠিন সময়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব আমার পাশে ছিলেন। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন যে সংবিধানের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর আন্তরিকতা এবং সহযোগিতা আমাকে মনোবল দিয়েছে। তাদের সমর্থন শতভাগ ছিল।” তিনি আরও জানান, বিএনপির জোটসঙ্গীরা একটি ঐক্যবদ্ধ গ্রুপ হয়ে দাঁড়ায়, যা শেষ পর্যন্ত অসাংবিধানিক চেষ্টাকে ব্যর্থ করে।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারও তার অপসারণের জন্য একটি নতুন পরিকল্পনা করেছিল। একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে তার স্থানে বসানোর চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু সেই বিচারপতি রাজি হননি। তদুপরি, তিন বাহিনীর প্রধানও তার পক্ষে অবস্থান নেন এবং বঙ্গভবনের সামনে মব সৃষ্টি হলেও তারা দৃঢ়ভাবে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার চেয়েছিল আমার নাম যেন কোথাও প্রকাশ না পায়। আমাকে দেশের জনগণের থেকে অদৃশ্য রাখার চেষ্টা হয়েছে। বিদেশ সফর থেকে শুরু করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানেও আমাকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনেও আমার উপস্থিতি বাধা দেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও যোগ করেন, “এক রাতের মধ্যে সারা বিশ্বের হাইকমিশন থেকে আমার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের রাষ্ট্রীয় রেওয়াজও হঠাৎ বাতিল করা হয়। এটি স্পষ্টতই আমাকে অপসারণের প্রথম ধাপ ছিল।”
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কথায়, এই সময়ে তার একমাত্র সমর্থন বিএনপি ও সশস্ত্র বাহিনীই ছিল, যারা সংবিধান রক্ষা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতায় ফাঁদে পড়েছেন ইশরাক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- সালমান খানের সঙ্গে কাজ করলেই হামলার হুমকি, আতঙ্কে বলিউড
- স্বপ্নের নারীকে খুঁজতে ১৯০০ কিলোমিটার পাড়ি, গিয়ে জানলেন তিনি এআই!
- সেই তুমি হয়ে আজও কোটি হৃদয়ে, রুপালি গিটারের সুরে অমর এক কিংবদন্তি
- বৈধ অস্ত্রের অপব্যবহার করলে জেল-জরিমানা, বাতিল হতে পারে লাইসেন্স
- সাত খুন, মেজর সিনহা ও আবরার হত্যা মামলার আপিল শুনানির দিন নির্ধারণ
- দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণগ্রস্ত, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: বিবিএস জরিপ
- সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: নিরপেক্ষ তদন্ত ও হয়রানি বন্ধের দাবি সাংবাদিক জহিরুলের
- ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েই কোটি টাকার আয়, রণবীর কাপুরের সম্পত্তির হিসাব প্রকাশ
- বেহেশতের লোভ দেখিয়ে ভোট নিয়ে দায়িত্বহীন আচরণ করছে বিরোধী দল:প্রতিমন্ত্রী
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
- বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে চোট, মাঠ ছাড়লেন হাশমতউল্লাহ




