খালেদা জিয়ার জন্য কাঁদছেন ভারতের জলপাইগুড়ির মানুষ


প্রকাশিত: ০৪:১৪ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোক ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতেও। ঢাকা থেকে প্রায় ৪৩৪ কিলোমিটার দূরের এই শহরের মানুষও চোখের জল ফেলছেন তাদের জন্মভূমির কন্যার জন্য।
ভারতের জলপাইগুড়িতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৪৫ সালে তার জন্মের সময় জলপাইগুড়ি ছিল অবিভক্ত ভারতের অংশ। পরবর্তীতে তার পরিবার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, জলপাইগুড়িতে এখনো খালেদা জিয়ার শৈশবের স্মৃতি উজ্জ্বলভাবে রয়ে গেছে। তার মৃত্যু সেখানকার অনেক মানুষের কাছেও ব্যক্তিগত ক্ষতি ও গভীর বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়া জলপাইগুড়িতেই তার প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন। নয়াবস্তি এলাকার যোগমায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর সমাজ পাড়ার সুনিতিবালা সদর গার্লস হাইস্কুলে ভর্তি হন তিনি। তবে পরিবারের সদস্যরা একে একে পূর্ব পাকিস্তানে চলে যাওয়ায় তার বাবাও পরবর্তীতে সেখানে চলে যান।
জলপাইগুড়ির ব্যবসায়ী নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, খালেদা জিয়ার বাবা মোহাম্মদ ইস্কান্দার তার বাবার চা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘দাস অ্যান্ড কো’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি জানান, নয়াবস্তির যে বাড়িতে খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিল, সেটি এখনো সেখানে বিদ্যমান।
জলপাইগুড়িভিত্তিক ইতিহাসবিদ উমেশ শর্মা বলেন, খালেদা জিয়ার শৈশব ও শিক্ষাজীবনের স্মৃতি শহরের ইতিহাসের অংশ হয়ে রয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়ার বাবা ওই এলাকার সম্পত্তি বিক্রি করে পরিবারসহ চলে যান।
খালেদা জিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বন্ধু সিয়ন মন্ডলের অনুভূতির কথা তুলে ধরে নীলাঞ্জন দাসগুপ্ত বলেন, খালেদা জিয়া যখন প্রথমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন, তখন সিয়ন মন্ডল ভীষণ আনন্দিত হয়েছিলেন। যারা তাকে চিনতেন, তার মৃত্যুতে সবাই ব্যথিত।
এদিকে, শুহরিদ মন্ডল নামে স্থানীয় আরেক ব্যক্তি বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবার জলপাইগুড়িতে প্রায়ই তার জন্মস্থান দেখতে আসতেন। তিনি বলেন, “দেশ ভাগ না হলে হয়তো আমরা তাকে আরও কাছ থেকে পেতাম—এ কথা আমরা প্রায়ই আলোচনা করতাম। তাকে সরাসরি না দেখলেও তিনি আমাদের আপনজন ছিলেন।”
খালেদা জিয়া যে সুনিতিবালা স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, সেই বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখার প্রধান শিক্ষক অরূপ দে জানান, তার সাবেক ছাত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাতে স্কুলে একটি স্মরণসভা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - জাতীয়
- গ্যাস সংকট কাটাতে লাগতে পারে দুই বছর, অবকাঠামো নির্মাণের কথা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
- কলকাতার রাজপথের মিছিলে জয়া আহসান, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা
- ‘ওয়েল ডান বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম’ বললেন জামায়াত আমির
- টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় কি লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? জানুন বিজ্ঞান কী বলে
- সীমান্তে ঢুকে পড়ল উত্তর কোরিয়ার সেনারা, গুলি ছুড়ে সতর্ক করল দক্ষিণ কোরিয়া
- নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করার ঘোষণা, উচ্চশিক্ষায় নতুন সুযোগের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
- রুনা লায়লার জীবনী: জীবন, সংগীত ক্যারিয়ার, জনপ্রিয় গান ও পুরস্কার
- ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি নিয়ে হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়
- প্রতিপক্ষের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশকে ফোন, নিজেই ফাঁসলেন যুবক
- সম্পর্কে থাকার সময় ওজন কমে যাওয়া এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দিয়েছিল: অনুপমা
- ১৫০০ কোটি টাকার ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতি: বন অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান ও নথি তলব
- ম্যাজিক চুলায় ভাত রাঁধতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
- জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমাদেরও ভুলত্রুটি হতে পারে: বিরোধীদলীয় নেতা
- লামিনে ইয়ামালের সাফল্যের পেছনে দাদির ত্যাগের গল্প, যেভাবে বদলে গেল জীবন
- এক বছরের মধ্যে জুলাই গণহত্যার সব তদন্ত শেষ করার আশা চিফ প্রসিকিউটরের
- প্রথমবার বিশ্বকাপজয়ীদের জন্য চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, নতুন ইতিহাস গড়ছে ফিফা
- সাদা পোশাকে সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশ
- 'মুখে হাড় থাকলে কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে পারে না': বলিউডের নীরবতা নিয়ে নাসিরুদ্দিন শাহ্র কটাক্ষ
- সংস্কার ছাড়া চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ সম্ভব নয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ‘আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে’: ফয়জুল করিম




