কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা


প্রকাশিত: ১২:০৬ ৩ জুন ২০২৬
কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। বুধবার (৩ জুন) ভোরে এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইরান ও কুয়েতের বক্তব্যে দেখা গেছে ভিন্নতা।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, মাঝরাতে দেশটির একটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ‘শত্রুতাপূর্ণ’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের দাবি, কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি এবং দেশের অভ্যন্তরে কোনো সামরিক বা বেসামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাতে যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে তা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করার ফল। কুয়েতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানানো হয়।
তবে কুয়েতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বার্তায় তারা দাবি করে, কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে অন্তত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে আঘাত হেনেছে। কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবৃতিকে ‘হাস্যকর’ বলেও মন্তব্য করে আইআরজিসি।
এর আগে গত সোমবারও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছিল, দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েতের পাশাপাশি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ঘাঁটিকেও লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। যদিও বাহরাইনের সামরিক বাহিনী এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ জানায়, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের কেশম দ্বীপের আশপাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর কিছু সময় পরই কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার খবর সামনে আসে।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে এমন হামলার দাবি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- মেসি প্রসঙ্গে প্রশ্নে বিরক্ত রোনালদো, জবাব দিলেন নিজের মতো করে
- বিশ্বকাপে নতুন নিয়মের প্রথম শিকার মিগেল আলমিরন
- ফটিকছড়ি সীমান্তে ভারতীয় যুবক আটক
- রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ৫৭ পদে চাকরির সুযোগ
- সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের আদেশ বাতিল
- ক্লোসার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি
- তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের ভিডিওতে হাবিবের ‘মহাজাদু’
- সাভারে নাশকতা প্রতিরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ছাত্রদলের মোটরসাইকেল শোডাউন
- ইরানের চেয়ে তুরস্কই ইসরায়েলের বড় দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ: হিব্রু সংবাদপত্র
- ধাপে ধাপে হবে স্থানীয় সরকার ভোট, শেষ হতে পারে ২০২৭ সালে
- রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু, আদালতে নতুন দাবি আসামির
- ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ যুবক, ৫ দিন পর পদ্মায় মিলল মরদেহ
- ২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা কলম্বিয়ার, অধিনায়ক জেমস রদ্রিগেজকে
- রামিসা হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি আজ, আদালতে হাজির দুই আসামি
- ইংল্যান্ড থেকে আরও দুই ফুটবলার যুক্ত হচ্ছেন বাংলাদেশ দলে
- রাজনৈতিক জোট গঠনের জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার পা ধরতে বাকি রেখেছিলেন
- নদী কি এখন লাশ গুমের ‘নিরাপদ স্থান’? ৫ বছরে উদ্ধার ২০৬৪
- নেইমারের জন্য বিশাল ত্যাগ স্বীকার ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের
- রাতের আঁধারে ফিলিস্তিনিদের ভেড়া চুরি , সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল দৃশ্য
- চট্টগ্রামে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত অক্সিজেন যাচ্ছে মেডিক্যাল অক্সিজেন হিসেবে হাসপাতালে





