ট্রাম্পের ‘ডেডলাইন’ শেষ হলে ইরানের সম্ভাব্য ৫ বিপজ্জনক পদক্ষেপ, মধ্যপ্রাচ্যে বড় উত্তেজনার শঙ্কা


প্রকাশিত: ০৪:১৬ ১৩ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া অথবা আলোচনায় বসার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সময়সীমা শেষ হলে Iran কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে-তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান সাধারণ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে না গিয়ে “লেয়ার্ড এসিমেট্রিক ওয়ারফেয়ার” কৌশল নিতে পারে, যার লক্ষ্য হবে সরাসরি যুদ্ধ না করেও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলা।
১. হরমুজ প্রণালি অচল করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চাপ প্রয়োগের জায়গা। বিশ্লেষকদের মতে, স্মার্ট মাইন, ড্রোন বা জিপিএস জ্যামিংয়ের মাধ্যমে এই রুটকে বিপজ্জনক করে তুলতে পারে ইরান। এতে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধাক্কা খেতে পারে।
২. উপসাগরীয় তেল অবকাঠামোতে হামলা
ইরান সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের তেল স্থাপনা ও পানিশোধন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করতে পারে। এসব স্থাপনায় আঘাত লাগলে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বড় শহরগুলোতে পানি ও জ্বালানি সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৩. সাইবার যুদ্ধের বিস্তার
ইরানের সমর্থিত সাইবার গ্রুপগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিদ্যুৎ গ্রিড, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং হাসপাতাল নেটওয়ার্কে হামলা চালাতে পারে। একই সঙ্গে জাহাজের জিপিএস সিগন্যাল বিভ্রান্ত করে সমুদ্রে দুর্ঘটনা ঘটানোর ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
৪. আঞ্চলিক প্রক্সি শক্তির সক্রিয়তা
ইরান তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে সক্রিয় করতে পারে-ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা, ইয়েমেনের হুথিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করা এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা বাড়ানো হতে পারে।
৫. কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি
ইরান চীন, রাশিয়া ও কিছু আঞ্চলিক দেশের জাহাজকে “সেফ প্যাসেজ” দিতে পারে, যা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা কাঠামোকে দুর্বল করতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক জোটে বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মূল লক্ষ্য সরাসরি সামরিক জয় নয়, বরং এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা যেখানে যুদ্ধের খরচ ও বৈশ্বিক ক্ষতি এতটাই বাড়ে যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা কূটনৈতিক সমাধানে বাধ্য হয়।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য ও নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- দেড় মাসের সন্তান নিয়ে কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী
- ইরান যুদ্ধে ৪০ দিনে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত
- ইসরায়েলি বাহিনীকে ‘বিশ্বের নিকৃষ্টতম’ বললেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত
- একই দিনে জন্ম, একই দিনে পরীক্ষা-ঠাকুরগাঁওয়ের তিন বোনের অসাধারণ যাত্রা
- এসএসসি পাশেই পুলিশের এএসআই পদে নিয়োগ
- ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে সাবেক মার্কিন সেনাসহ গ্রেপ্তার ৬২ জন
- এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- অসদাচরণের অভিযোগে পদত্যাগ ট্রাম্পের মন্ত্রীর, নতুন বিতর্কে প্রশাসন
- আলোচনায় বসার আহ্বান, নইলে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি, ইরানকে ট্রাম্পের বার্তা
- যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনাগ্রহ ট্রাম্প, চুক্তি না হলে ফের হামলার আশঙ্কা
- জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসে নতুন সূচি: তিন দিন অফিস, দুই দিন বাসা থেকে কাজ
- নদীতে টাকার বস্তা ভাসার ছবি ভাইরাল, শেষে জানা গেল আসল সত্য
- পোপ লিওকে আক্রমণ ট্রাম্পের, “আমি এই পোপের একদমই ভক্ত নই”
- কালোবাজারির দিন শেষ: সব গাড়ির জন্য আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’!
- শোবিজ ছাড়ার পর নতুন জীবন,এবার বিয়ের পিঁড়িতে সিমরিন লুবাবা
- আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা
- যুক্তরাষ্ট্রে হাতুড়ির আঘাতে বাংলাদেশি নারী হত্যা, ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
- শিমুলতলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, হয়রানির অভিযোগে ক্ষোভ
- ১০,০০০ কিলোমিটারের ICBM মিসাইল প্রস্তুত, ইরানের টার্গেট এবার সরাসরি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র
- দৌলতদিয়ায় শিশুসহ ৫০+ যাত্রী নিয়ে বাস পদ্মায়, বহু হতাহতের আশঙ্কা





