সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর এবার সামরিক হামলার ছক কষছে ট্রাম্প প্রশাসন


প্রকাশিত: ০৪:৫৯ ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের হুমকি জোরালো করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তেহরানকে চাপে রাখতে কূটনীতির পাশাপাশি ‘বিমান হামলা’সহ একাধিক সামরিক বিকল্প সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, কূটনীতি বরাবরই ওয়াশিংটনের প্রথম পছন্দ। তবে কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারে কোনো দ্বিধা করবেন না। তার ভাষায়, সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিষয়টি বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন-পীড়নে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দাবি করছে, এতে বহু নিরাপত্তা সদস্যও নিহত হয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি, যার মধ্যে শত শত সাধারণ নাগরিক রয়েছেন।
দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় হতাহতের প্রকৃত চিত্র স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিস্থিতিকে ইরান সরকারের ব্যর্থতা ও দমননীতির উদাহরণ হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বোমা হামলার পর থেকেই ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্ক চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমনে ইরানের কঠোর অবস্থানকে সম্ভাব্য সামরিক হামলার একটি বড় ‘অজুহাত’ হিসেবে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে সার্বভৌম কোনো দেশের ওপর সামরিক হামলা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ প্রশাসনের একটি অংশ ট্রাম্পকে সামরিক পথ এড়িয়ে কূটনৈতিক সংলাপে ফেরার পরামর্শ দিচ্ছেন।
এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নেতারা আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে তাকে ফোন করেছিলেন। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি বলেন, প্রকাশ্যে কঠোর বক্তব্য দিলেও ব্যক্তিগত আলোচনায় ইরান অনেক বেশি নমনীয় অবস্থান দেখাচ্ছে।
বর্তমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান এই স্নায়ুযুদ্ধ শেষ পর্যন্ত সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়, নাকি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়—সেটিই এখন বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - আন্তর্জাতিক
- গণভোটের রায় মানছে না সরকার, স্বৈরশাসন চাপানোর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
- ভারতের বিপক্ষে জয়ের পোস্ট, ট্রোলের মুখে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
- সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন হামলা, ভূপাতিতের দাবি
- তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মরদেহ, মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন
- SEO Expert নিচ্ছে Nebula IT Bangladesh
- মন্দিরে পূজা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কে সারা আলি খান
- Marketing Officer নিয়োগ দিচ্ছে Monir Neuro Spine Surgical Mart
- আকর্ষণীয় বেতনে HAJ Corporation-এ নিয়োগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- অবশেষে নিবন্ধন পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি
- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন, বাদ মালিঙ্গাসহ ৩ জন
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- ভারতের জেন জি আন্দোলনে বাংলাদেশ অনুপ্রেরণা: ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা




