• শনিবার , ২৯ আগস্ট, ২০২৬ | ১৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ পরিবর্তন ৩ মাসের পরিবর্তে ১ মাস

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ পরিবর্তন ৩ মাসের পরিবর্তে ১ মাস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৩ ৩১ অক্টোবর ২০২৫

সৌদি আরব সরকার ওমরাহ ভিসার মেয়াদ তিন মাস থেকে কমিয়ে এক মাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভিসা ইস্যুর তারিখ থেকেই মেয়াদ গণনা শুরু হবে এবং এক মাস পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যাবে। তবে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এই পরিবর্তন শুধুমাত্র ভিসার মেয়াদ সংক্রান্ত; ওমরাহ যাত্রীরা সৌদি আরবে প্রবেশ করার পর তাদের অবস্থানের মেয়াদ আগের মতোই তিন মাস থাকবে।

নতুন ওমরাহ মৌসুম শুরুর পর থেকে, অর্থাৎ চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম দিক থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ লাখেরও বেশি বিদেশি মুসল্লির জন্য ওমরাহ ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এবার ওমরাহ যাত্রীদের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাত্র পাঁচ মাসেই বিদেশি ওমরাহযাত্রীর সংখ্যা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী চাপে প্রশাসনিক কার্যক্রমকে সহজ ও দ্রুত করতে মন্ত্রণালয় ওমরাহ ভিসা সংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন এনেছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো যাত্রী ভিসা ইস্যুর ৩০ দিনের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ না করলে তাঁর ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নতুন নিয়ম আগামী সপ্তাহ থেকেই কার্যকর হবে।

ন্যাশনাল কমিটি ফর ওমরাহ অ্যান্ড ভিজিটের উপদেষ্টা আহমেদ বাজাইফার জানান, গ্রীষ্ম মৌসুম শেষে মক্কা ও মদিনার তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে ওমরাহ যাত্রীদের ভিড় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাব্য চাপ সামলানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ওমরাহ ভিসার মেয়াদ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো মক্কা ও মদিনায় অতিরিক্ত ভিড় এড়ানো এবং ওমরাহ যাত্রীদের জন্য একটি সুশৃঙ্খল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

এর আগে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল, সৌদি আরবে অবস্থানরত যেকোনো ভিসাধারী—ব্যক্তিগত, পারিবারিক, ই–ট্যুরিস্ট, ট্রানজিট বা শ্রম ভিসাধারী—ওমরাহ পালন করতে পারবেন। তবে নতুন মেয়াদ সংক্রান্ত নিয়ম ঘোষণার পর এই পুরনো সুবিধা কার্যকর থাকবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের এই পদক্ষেপ মূলত প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো, যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় পর্যটন খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার কৌশলের অংশ।

বিজ্ঞাপন