• শুক্রবার , ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঁচাত্তর বছর বয়সে বিয়ে,ফুলশয্যার পরদিনই মৃত্যু!

পঁচাত্তর বছর বয়সে বিয়ে,ফুলশয্যার পরদিনই মৃত্যু!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:৪৩ ১ অক্টোবর ২০২৫

একাকীত্ব কাটাতে জীবনের সায়াহ্নে এসে অর্ধেকেরও কম বয়সি এক মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন পঁচাত্তর বছর বয়সি সঙ্গুরাম। কিন্তু নতুন দম্পতির সুখ আর দীর্ঘস্থায়ী হল না। বিয়ের পরদিন সকালেই আচমকা মৃত্যু ঘটেছে তার। এই ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সঙ্গুরামের প্রথম স্ত্রী প্রায় বছর খানেক আগে মারা যান। নিঃসন্তান থাকার কারণে দীর্ঘদিন একাই জীবন কাটান। চাষাবাদ করেই দিন চলত তার। নিঃসঙ্গতা দূর করতে সম্প্রতি তিনি আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।

সঙ্গুরামের আত্মীয়রা জানান, তার এই বয়সে বিয়ে করার সিদ্ধান্তে পরিবারের অনেকেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। তবুও সঙ্গুরাম কারও কথা শোনেননি। গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জালালপুর এলাকার ৩৫ বছর বয়সী মনভাবতী দেবীকে বিয়ে করেন তিনি। আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় একটি মন্দিরে সামাজিক রীতি মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

নববিবাহিতা মনভাবতী বলেন, “বিয়ের রাতে আমরা অনেকক্ষণ কথা বলেছিলাম। স্বামী আমাকে সংসারের দায়িত্ব নিতে বলেছিলেন এবং ছেলেপুলেদের যত্নের কথা জানিয়েছিলেন।”

কিন্তু মঙ্গলবার সকালে আচমকা সঙ্গুরামের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিয়ের পরদিন এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামের একাংশ মানুষ মনে করছেন, বয়সজনিত কারণে তার মৃত্যু স্বাভাবিক। তবে অন্য একাংশ এই মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে মৃতের আত্মীয়রা, বিশেষ করে দিল্লিতে থাকা ভাইপোরা, শেষকৃত্য আটকে দিয়েছেন। তাদের দাবি, তারা না পৌঁছানো পর্যন্ত সৎকার করা যাবে না। এই ঘটনায় পুলিশি তদন্ত বা ময়নাতদন্ত হবে কি না, তা নিয়েও স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 

বিজ্ঞাপন