• বুধবার , ০৩ জুন, ২০২৬ | ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেঁতুলিয়ায় শিক্ষিকার জাল সনদ প্রমাণিত, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ

তেঁতুলিয়ায় শিক্ষিকার জাল সনদ প্রমাণিত, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ

খাদেমুল ইসলাম: পঞ্চগড় প্রতিনিধি
খাদেমুল ইসলাম: পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৪:০৬ ৩ জুন ২০২৬

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ সময় চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে উঠে আসার পর তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত যে সনদ দাখিল করেছিলেন, তা যাচাই-বাছাই শেষে জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি প্রায় ২২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই সনদের ভিত্তিতে চাকরি করে আসছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তদন্তে আরও জানা যায়, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ মোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। এ অর্থ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ফেরতযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার নিয়োগ ও এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে এবং ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, যিনি অভিযুক্ত শিক্ষিকার স্বামীও, জানান যে সনদের বৈধতা নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি উঠেছিল এবং একাধিকবার শোকজ করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি এটাও বলেন, কিছু পক্ষ থেকে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

অন্যদিকে, তদন্ত প্রতিবেদনে সনদটি জাল বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/