• মঙ্গলবার , ১৪ জুলাই, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেরুতে হলান্ডের নামে পাঁচ শতাধিক শিশুর নামকরণ

পেরুতে হলান্ডের নামে পাঁচ শতাধিক শিশুর নামকরণ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৬ ১৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে নরওয়ের ঐতিহাসিক যাত্রা এবং আরলিং হলান্ডের জনপ্রিয়তা পেরুর পরিবারগুলোর মধ্যেও নতুন প্রবণতা তৈরি করেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে পাঁচ শতাধিক শিশুর নাম ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকার নামে নিবন্ধিত হয়েছে।

পেরুর জাতীয় পরিচয় ও নাগরিক নিবন্ধন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ৪৬৮ শিশুর প্রথম নাম রাখা হয়েছে ‘হলান্ড’। আরও ৯১ শিশুকে তার পুরো নাম অনুসরণ করে ‘আরলিং হলান্ড’ নামে নিবন্ধন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫৫৯ শিশুর নামে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের প্রভাব রয়েছে।

নিবন্ধন সংস্থার মুখপাত্র ইভান তোরেস জানিয়েছেন, বিশ্বখ্যাত ফুটবলারদের সাফল্য পেরুর অনেক অভিভাবককে সন্তানদের নাম নির্বাচনে অনুপ্রাণিত করে। দেশটির আইনে এ ধরনের নাম ব্যবহারে সাধারণভাবে বাধা নেই বলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্বকাপে নরওয়ের অগ্রযাত্রার সঙ্গে হলান্ডকে ঘিরে আগ্রহও দ্রুত বেড়েছে। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায়। টুর্নামেন্টে হলান্ডের পারফরম্যান্স ও নরওয়ের সমর্থকদের উদ্‌যাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।

পেরুতে ফুটবল তারকাদের নামে সন্তানের নাম রাখা অবশ্য নতুন নয়। নাগরিক নিবন্ধনের তথ্য অনুসারে, দেশটিতে ৩ হাজার ৪২ জনের নাম ‘মেসি’, ১ হাজার ১৮৫ জনের নাম ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো’ এবং ১ হাজার ২৪১ জনের নাম ‘লামিন ইয়ামাল’। সবচেয়ে এগিয়ে নেইমার—পেরুতে ৩৩ হাজার ৮০৯ জনের নামে ব্রাজিলিয়ান তারকার প্রভাব পাওয়া গেছে।

নরওয়ের স্ট্রাইকার হলান্ড বর্তমানে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলছেন। গতি, শারীরিক শক্তি, সঠিক অবস্থান নির্বাচন এবং গোল করার দক্ষতার কারণে তিনি বর্তমান ফুটবলের অন্যতম পরিচিত তারকায় পরিণত হয়েছেন।

পেরু এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারলেও দেশটির মানুষের ফুটবলপ্রেমে ভাটা পড়েনি। হলান্ডের নামে শিশুদের নাম নিবন্ধনের এই প্রবণতা দেখাচ্ছে, একজন খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা কীভাবে ক্লাব ও জাতীয় দলের সীমা ছাড়িয়ে অন্য মহাদেশের সংস্কৃতি ও পারিবারিক সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞাপন