• বুধবার , ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন

তারেক রহমানের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:৪৪ ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর, আগামী প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman-এর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। এই খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউআইওএন, উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরকে।

ডব্লিউআইওএন জানিয়েছে, এই পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টার একটি ইঙ্গিত। হুমায়ুন কবির বলেছেন, “আঞ্চলিক বিষয়গুলো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা চাই এই অঞ্চলকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে। শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাঠানোর বিষয়টি আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে। সময় কম, তবে আমাদের আন্তরিকতা সম্পূর্ণ।”

তিনি এই আমন্ত্রণকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের একটি ‘সৌহার্দ্যের বার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর কথায়, “কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর মানে আশা করা যে তিনি উপস্থিত হবেন। এটি সদিচ্ছার পরিষ্কার ইঙ্গিত।”

হুমায়ুন কবির আরও জানিয়েছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতায় একটি ‘সুষম নীতি’ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। সার্ক, বিমসটেকের মতো বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক ফোরামগুলোকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে একটি সমন্বিত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

ডব্লিউআইওএন জানিয়েছে, বিএনপির এই বার্তা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন নির্বাচনে তাদের নিরঙ্কুশ বিজয় আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিএনপির এই বিজয়কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘বড় পরিবর্তন’ হিসেবে দেখছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং “গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল” বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন। মোদী এক এক্স বার্তায় লিখেছেন, “আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ।”

বিএনপির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর চেষ্টা ও আঞ্চলিক সহযোগিতাকে কেন্দ্রীয় স্থানে রাখা স্পষ্ট।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/