ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতে হতে পারে স্টিভেন জনসন সিনড্রোম !


প্রকাশিত: ১১:১৩ ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
স্টিভেন জনসন সিনড্রোম (SJS) একটি বিরল কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সাধারণত কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে দেখা দেয়। প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৫ জনের ক্ষেত্রে এই অসুখ হতে পারে।
ডা. আফলাতুন আকতার জাহানজুনিয়র, ইন্টার্নাল মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা, জানিয়েছেন, স্টিভেন জনসন সিনড্রোম হলো একধরনের হাইপারসেনসিটিভিটি বা অতিসংবেদনশীলতা, যা ত্বক, মুখগহ্বর, চোখ, অন্ত্র ও শ্বাসনালির ক্ষতি করতে পারে। ত্বকের বাইরের স্তর নষ্ট হলে সংক্রমণ ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় এবং এমন পরিস্থিতিতে সেপসিসের মতো প্রাণঘাতী অবস্থা তৈরি হতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ:
যেকোনো ওষুধে SJS হতে পারে, তবে সাধারণত যেসব ওষুধে বেশি দেখা যায়—
গাউট বা গেঁটেবাতের ওষুধ: অ্যালোপিউরিনল
খিঁচুনির ওষুধ: কার্বামাজেপিন, ফিনাইটোইন, ফেনোবারবিটাল, ল্যামোট্রিজিন
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক: কোট্রাইমক্সাজল
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ওষুধ: সালফাসালাজিন
ব্যথানাশক: মেলোক্সিকাম ও পাইরোক্সিকাম
লক্ষণসমূহ:
SJS সাধারণত ওষুধ সেবনের প্রথম ৮ সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় এবং প্রাথমিকভাবে ফ্লুর মতো উপসর্গ তৈরি হয়। এর মধ্যে রয়েছে—
তীব্র জ্বর, ক্লান্তি, গায়ে ব্যথা
ত্বক লাল হয়ে ফোসকা পড়া ও মৃত কোষের মতো খসে পড়া
মুখ, ঠোঁট ও যৌনাঙ্গে যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত
চোখে লালচে ভাব, পানি পড়া ও জ্বালা
শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়ার মতো ইনফেকশন
চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:
SJS একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। চিকিৎসা তৎক্ষণাত শুরু করতে হবে।
ওষুধ বন্ধ করা: সন্দেহজনক ওষুধ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
হাসপাতালে ভর্তি: আইসিইউ বা বার্ন ইউনিটে বিশেষ যত্ন।
সাপোর্টিভ কেয়ার: মৃত কোষ পরিষ্কার, ব্যথা কমানো, সংক্রমণ রোধে অ্যান্টিবায়োটিক, পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট সমন্বয়।
গুরুতর ক্ষেত্রে ত্বক প্রতিস্থাপন (স্কিন গ্রাফটিং) প্রয়োজন হতে পারে।
সতর্কতা ও করণীয়:
সমস্যা দেখা দেয়ার পর ওষুধ পুনঃসেবন না করা।
মেডিকেল অ্যালার্ট ব্রেসলেট বা কার্ড ব্যবহার করা।
পরবর্তী চিকিৎসককে SJS ইতিহাস জানানো।
নিজে নিজে চিকিৎসা না করা।
ডা. আফলাতুন জানান, সুস্থ হতে সাধারণত ২–৪ সপ্তাহ সময় লাগে। তাই এই রোগে আক্রান্ত হলে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও তৎপর মনোযোগ অপরিহার্য।
সর্বোচ্চ পঠিত - লাইফ স্টাইল
- তুলা উন্নয়ন বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত
- নিখোঁজের দুই দিন পর ঘরের মেঝে খুঁড়ে মিলল বৃদ্ধার মরদেহ, ছেলে পলাতক
- পিচের রাস্তা খুঁড়ে বসানো হচ্ছে ইটের সলিং
- যুদ্ধ শেষ, ইরানের আর হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও
- চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনারের পদত্যাগ
- দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন আমির খান
- বিশ্বকাপের টানে ১০ মাস সাইকেল চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তিন আর্জেন্টাইন ভক্ত
- হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল
- বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াত
- ৩৮ বছর পর বাড়ি ফিরলেন স্বামী, অভিমান কাটেনি স্ত্রীর
- আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে খোরশেদ আলম, দিলেন আর্থিক সহায়তা
- বিয়ে করছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জানা গেল পাত্রীর পরিচয়
- সন্তান ও টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী
- অনলাইন আম বিক্রেতাদের ‘আম কার্ড’ দেয়ার ঘোষণা বিএনপি
- এমপিদের সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে পড়ানো বাধ্যতামূলক করা উচিত
- ১৫ বছর পর খালাস পেলেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী-দিনারসহ ৩৮ জন
- তুরস্কের নতুন সামরিক শক্তি প্রদর্শন: আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রসহ একাধিক উন্নত অস্ত্র উন্মোচন
- মা: নিঃস্বার্থ ভালোবাসার আশ্রয়
- কালীগঞ্জে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে সড়কে, অটোরিকশার ওপর পড়ে শিক্ষিকা নিহত
- ভ্রূণের লিঙ্গ প্রকাশে কঠোর অবস্থান হাইকোর্টের, ৬ মাসে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ

