বিচারপতির বাসায় গিয়ে ঘুষ চাওয়া সেই এএসআইয়ের দণ্ড বহাল


প্রকাশিত: ০২:৩১ ১৭ আগস্ট ২০২৪
পাসপোর্ট আবেদনের তথ্য যাচাইয়ে এক বিচারপতির বাসায় গিয়ে ঘুষ চাওয়ার ঘটনায় তৎকালীন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এএসআই মো. সাদেকুল ইসলামকে বিচারিক আদালতের দেওয়া পৃথক ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।
রায়ে উচ্চ আদালত বলেছেন, নাগরিকদের পাসপোর্টসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়। এই পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন পেতে নাগরিকদের যথেষ্ট আর্থিক ও মানসিক ভোগান্তি হরহামেশাই পোহাতে হচ্ছে। এই মামলাটি তার একটি অন্যতম দৃষ্টান্ত।
বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামির আপিল নামঞ্জুর করে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট রায় দেন একক হাইকোর্ট বেঞ্চ। শনিবার এ রায়ের ২৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।
আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. তয়েদ উদ্দিন খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুরউস সাদিক চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এস এম কামাল আমরোহী চৌধুরী।
২০১৯ সালের ২১ মার্চ ওই রায় দিয়েছিলেন ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমান। রায়ে আসামিকে দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় এক বছর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পরে এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন সাদেকুল।
নথি থেকে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত সাদেকুল ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি থানার চড়োল গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের দুই মেয়ের পাসপোর্টের তথ্য যাচাইয়ের জন্য তার ধানমন্ডির বাসায় যান। সেখানে তিনি বিচারপতির স্ত্রী ডা. সাবরিনা মোনাজিলিনের কাছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য জনপ্রতি এক হাজার টাকা করে দুই হাজার টাকা দাবি করেন।
ডা. সাবরিনা বিষয়টি বুঝতে না পেরে আসামি সাদেকুলকে চা-নাস্তা করার জন্য বকশিস দিতে চাইলেও তিনি তা নিতে অস্বীকার করে বলে যে, দুই হাজার টাকা না দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে না। ডা. সাবরিনা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে অবস্থানরত তার স্বামীকে জানালে তিনি সাদেকুলকে বাসা ত্যাগ করতে বলেন।
এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের তৎকালীন স্পেশাল অফিসার হোসনে আরা শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
মূলত ওই ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে ছিলেন এসআই সালাম। পরিচয় গোপন করে এএসআই সাদেকুল এসআই সালাম পরিচয়ে ওই ভেরিফিকেশন করতে যান।
তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক রাহিলা খাতুন অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে বিচার শেষে ২০১৯ সালে রায় দেন বিচারিক আদালত। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে হাইকোর্ট ২০২৩ সালে রায় দেন। রায়ে সাদেকুলের আপিল নামঞ্জুর করে দণ্ড বহাল রাখেন। এই রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সাদেকুলকে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩
- রিটেইল সেলস বিভাগে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দিচ্ছে ঢাকা ব্যাংক, অনলাইনে আবেদন শুরু
- নবম পে-স্কেল কার্যকরের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে, শিগগিরই গেজেট জারি করবে সরকার
- জনগণের অর্থ ব্যয় ছাড়াই বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি: তথ্য মন্ত্রণালয়
- ভারতের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে শিবাজীর মূর্তি বসাচ্ছে ইসরাইল
- ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষকে সংসদে বাজেট অধিবেশন দেখার সুযোগ করে দিলেন হাসনাত
- একনেক বৈঠকে ১২ প্রকল্প অনুমোদনের প্রস্তাব, গুরুত্ব পাচ্ছে বিভিন্ন উন্নয়ন খাত
- বাতিল হচ্ছে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ ৬ বিষয়ের অনার্স কোর্স
- প্রকিউরমেন্ট বিভাগে ম্যানেজার নিয়োগ দেবে আবুল খায়ের গ্রুপ
- নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
- আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে খোরশেদ আলম, দিলেন আর্থিক সহায়তা
- সন্তান ও টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী
- ১৫ বছর পর খালাস পেলেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী-দিনারসহ ৩৮ জন
- সরকারি মেডিকেল কলেজে ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিল, অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য
- একনেকে অনুমোদন পেল ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প
- ভ্রূণের লিঙ্গ প্রকাশে কঠোর অবস্থান হাইকোর্টের, ৬ মাসে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ
- জাবিতে ছাত্রীকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মশাল মিছিল
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলার দাবি
- পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি: ‘আর কোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিলে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করবে শত্রুপক্ষ’
- বিশ্বের ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ ক্ষেপণাস্ত্রের ঘোষণা পুতিনের, বাড়ছে পারমাণবিক উত্তেজনা
