• সোমবার , ১২ অক্টোবর, ২০২৬ | ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে ফের বিক্ষোভের প্রস্তুতি, পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময় দিল ককরোচ জনতা পার্টি

দিল্লিতে ফের বিক্ষোভের প্রস্তুতি, পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময় দিল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৫৫ ১২ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আবারও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লির যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির নতুন দিনক্ষণ নির্ধারণ করতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়ও দিয়েছেন তারা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাসহ সংগঠনটির প্রতিনিধিরা। সেখানে তারা নতুন কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি ও নির্দিষ্ট তারিখ চেয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কার বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর ভারতের একটি নির্ধারিত প্রতিবাদস্থল। সংবিধান নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার অধিকার দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে সৌরভ দাস জানান, বিক্ষোভ আয়োজনের অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার যে শর্ত পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেটি বিবেচনায় নিয়ে তারা এবার দিনক্ষণ নির্ধারণের দায়িত্ব পুলিশকেই দিতে চান।
তবে নতুন কর্মসূচির তারিখ নির্ধারণে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছে সিজেপি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুলিশ সিদ্ধান্ত না জানালে সংগঠনটি নিজ উদ্যোগে নতুন বিক্ষোভের ঘোষণা দেবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল সংগঠনটি। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছেন আন্দোলনকারীরা। কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্তেজনা তৈরি হয় এবং কয়েকজন নেতাসহ বহু আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়।
অন্যদিকে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তর ও কনট প্লেস এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের কথিত হামলার ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্ত শেষ করতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন এবং ঘটনার সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ বিষয়ে শুনানি গ্রহণে সম্মত হয়েছে আদালত।

একই দিনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের জন্য যন্তর মন্তর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আরেকটি আবেদনেরও শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
বিষয়টি ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিবেচনায় রয়েছে বলেও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
এ পরিস্থিতিতে সিজেপির নতুন কর্মসূচির অনুমতি এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে আন্দোলনকারীদের।

বিজ্ঞাপন