• শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১০ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা জানালেন তারেক রহমান

জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা জানালেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২৩ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামাজিক সুরক্ষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন কার্ড এক ব্যবস্থায় আনতে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন খাতের সহায়তা কর্মসূচি সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিতে সমান সুযোগ, রোহিঙ্গা সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়েও তিনি বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবারে পৌঁছানো সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের সহায়তায় ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন তিনি। পরিবারের নারী প্রধানের নামে দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডকে সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে দেখে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

এসব খাতের কার্ড সমন্বয় করেই ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে কার্ডটি কবে চালু হবে বা কীভাবে কাজ করবে, ভাষণের এই অংশে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

প্রযুক্তি, রোহিঙ্গা ও জলবায়ু নিয়েও বার্তা

প্রযুক্তির সুযোগ সব দেশের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না বলে ভাষণে উদ্বেগ জানান তারেক রহমান। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সুফল ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালার আহ্বানও জানান।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর উৎস মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানেই হতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা চান তিনি। প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত জীবনরক্ষাকারী সহায়তা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কপ-৩১ সম্মেলনে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বন্যা ও খরার প্রভাব মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে

বিজ্ঞাপন