• রবিবার , ১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৮ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের সঙ্গে আলোচনার আগে ট্রাম্পের কণ্ঠে ‘সতর্ক আশাবাদ’

ইরানের সঙ্গে আলোচনার আগে ট্রাম্পের কণ্ঠে ‘সতর্ক আশাবাদ’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০৬ ১১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার আগে ‘সতর্ক আশাবাদ’ ব্যক্ত করেছেন Donald Trump। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই Islamabad-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল দক্ষ এবং তারা আলোচনায় ভালো করবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে আলোচনার ফলাফল নিয়ে আগে থেকেই কোনো নিশ্চয়তা দিতে চাননি তিনি।

তিনি বলেন, “দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়… আমাদের একটি ভালো দল আছে, তারা বৈঠকে বসছে, আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব।”

এই আলোচনাকে কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz-এর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটি খুলে দেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই পথের ওপর নির্ভরশীল নয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিকল্প কোনো পরিকল্পনা থাকার বিষয়টি নাকচ করে দেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, “এটি সহজ হবে না, তবে আমরা খুব দ্রুতই পথটি খুলে দিতে পারব।”

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance আলোচনাকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করলেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরান যেন আলোচনায় কোনো ধরনের ‘চাতুর্যের আশ্রয়’ না নেয়।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান নিজেকে একটি সহায়ক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তুলে ধরেছে। দেশটি সরাসরি মধ্যস্থতার বদলে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত Rizwan Saeed Sheikh বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বহু কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল। তিনি তুরস্ক, সৌদি আরব ও মিসরের মতো দেশগুলোর ভূমিকাও উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া এই আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ এবং সফলতার জন্য উভয় পক্ষের ইতিবাচক মনোভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার শুরুতেই আশা ও অনিশ্চয়তার এই মিশ্র বার্তা ইঙ্গিত দিচ্ছে—সমাধানের পথ যতটা কাছাকাছি, ততটাই নাজুকও রয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/