• রবিবার , ১২ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৮ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ, ৪০ দিনের যুদ্ধের চিত্র তুলে ধরল তেলআবিব

ইসরাইলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রকাশ, ৪০ দিনের যুদ্ধের চিত্র তুলে ধরল তেলআবিব

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২:৫৬ ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ৪০ দিনের সামরিক অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে Tel Aviv। একই সঙ্গে দেশটিতে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক হিসাবও তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে ইসরাইল। তাদের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির হুমকি কমানো।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত ইরান ইসরাইলের দিকে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাল্টা হিসেবে ইসরাইলি বিমান বাহিনী ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, পুরো যুদ্ধজুড়ে ইরান প্রায় ৬৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার বড় অংশ ছিল ক্লাস্টার বোমা সমৃদ্ধ।

এই হামলায় ইসরাইলে ২০ জন বেসামরিক নাগরিক ও বিদেশি নিহত হন। এছাড়া পশ্চিম তীরে আরও চার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারান। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আহত হয়েছেন ৭ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের অধিকাংশই হামলার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন না বলে জানা গেছে। ক্লাস্টার বোমায় ১০ জন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রে ১৪ জন নিহত হন।

এদিকে হামলার কারণে অন্তত ৫ হাজার ৫০০ জন ইসরাইলি তাদের বাড়িঘর হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

যুদ্ধের শুরুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বেশি থাকলেও সময়ের সঙ্গে তা কমতে থাকে। প্রথম দিনে প্রায় ৮০টি, দ্বিতীয় দিনে ৬০টি এবং তৃতীয় দিনে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এরপর প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিসংখ্যান যুদ্ধের তীব্রতা এবং বেসামরিক জনগণের ওপর এর প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/