উদ্বোধনের আগেই ঝুঁকিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প: এক বছরেও হস্তান্তর হয়নি, ঘরে ফাটল ও পাড় ধস


প্রকাশিত: ১১:৫৩ ১১ মার্চ ২০২৬
সাতক্ষীরার Ashashuni Upazila–র Sriula Union–এর মহিষকুড় এলাকায় নির্মিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো নির্মাণ শেষ হওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও এখনো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এরই মধ্যে ঘরের আশপাশে পাড় ধসে পড়া ও ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ায় প্রকল্পটির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সারিবদ্ধভাবে নির্মিত ঘরগুলোর দুই পাশেই রয়েছে মৎস্য ঘের। ঘরের সামনে ও পেছনের অংশে মাটি ধসে গিয়ে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে। পাড় রক্ষার জন্য বসানো প্যালাসাইডিংয়ের কয়েকটি অংশ ইতোমধ্যে কাত হয়ে পড়েছে। ফলে ভাঙন ধীরে ধীরে ঘরের কাছাকাছি চলে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য প্রায় ৫৫ শতক জমির ওপর মোট ১৮টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। সেই হিসেবে পুরো প্রকল্পে প্রায় ৪৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক বছর পার হলেও এখনো ঘরগুলো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।
স্থানীয় সমাজকর্মী শেখ হাবিবুর রহমান বলেন, প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আশ্রয়ণ প্রকল্প উদ্বোধনের আগেই ঝুঁকির মুখে পড়া অত্যন্ত হতাশাজনক। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় জমির প্রকৃতি এবং আশপাশের মাছের ঘেরের প্রভাব সঠিকভাবে বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল। দীর্ঘদিন ঘরগুলো অব্যবহৃত পড়ে থাকা এবং যথাযথ তদারকি না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দ্রুত ঘরগুলো মেরামত করে ভূমিহীনদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে Ashashuni Upazila–র উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পটির দুই পাশে মাছের ঘের রয়েছে। এতদিন ঘেরে পানি থাকায় প্যালাসাইডিং ঠিক ছিল। সম্প্রতি ঘেরের পানি সেচ দিয়ে নামিয়ে দেওয়ায় প্যালাসাইডিং কাত হয়ে পড়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘেরে আবার পানি উঠলে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ করা হবে। তবে ঘরগুলো হস্তান্তরের দায়িত্ব মূলত ভূমি অফিসের বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে পানির চাপ বাড়লে ভাঙনের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো রক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - দেশজুড়ে
- SEO Expert নিচ্ছে Nebula IT Bangladesh
- মন্দিরে পূজা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্কে সারা আলি খান
- Marketing Officer নিয়োগ দিচ্ছে Monir Neuro Spine Surgical Mart
- আকর্ষণীয় বেতনে HAJ Corporation-এ নিয়োগ, থাকছে যেসব সুযোগ-সুবিধা
- অবশেষে নিবন্ধন পাচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি
- মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচিং প্যানেলে বড় পরিবর্তন, বাদ মালিঙ্গাসহ ৩ জন
- সৌদি আরবের হয়ে হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে পাকিস্তান? যা জানা যাচ্ছে
- বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার খবর নাকচ করল জাপান
- ১ নভেম্বর ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে সিজেপির সমর্থন, দাবি সিইসির পদত্যাগ
- আবারও ন্যায্য মজুরি আদায়ের দাবিতে সড়ক অবরোধ গার্মেন্টস শ্রমিকদের
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি আজ পৌঁছাচ্ছে বাংলাদেশে
- পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের দাবি, চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার
- ৮ মাস পর চালু, দুই দিনের মাথায় ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা
- সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন হাসনাতের, চাইলেন স্বচ্ছ হিসাব
- অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
- জাতীয় দলের শিবির ছাড়ায় ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো
- শেষ ম্যাচে গোল-অ্যাসিস্ট, সতীর্থদের ভালোবাসায় বিদায় মেসির
- মেসির বিদায়ে রোনালদোর আবেগঘন বার্তা, জানালেন ‘পূর্ণ শ্রদ্ধা’
- রিয়াদ বিমানবন্দরে তৃতীয় দফা হামলার দাবি হুথিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিমান
- সাভারের বনগাঁওয়ে তিন দিনব্যাপী মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
